সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
বিসিবির ৩৭ আম্পায়ারের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন আইসিসি মতিউরের জামিন নাকচ, বিচার শুরু কেরানীগঞ্জে ১০ বছর ধরে চলছিলো ইয়াবার কারখানা পাঁচ আগস্ট ঘিরে দেশে কোনো ধরনের নাশকতার আশঙ্কা নেই :স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সরকারি ভবনে পর্যায়ক্রমে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক পিনু খুন: জুতার ছাপের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার স্বামী ২ দিনের রিমান্ডে গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে হামে আক্রান্ত হয়েছে তিন শিশুর মৃত্যু পিরোজপুর সদর থানার সামনেই সিনান ট্রেডার্সে সাটারের লক কেটে চুরি : ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক ইউএস বাংলার বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে ২১টি বোয়িং উড়োজাহাজ উত্তরার দক্ষিণখানে বাসায় ঢুকে নারীকে শ্বাসরোধে হত্যা, মালামাল লুট

মতিউরের জামিন নাকচ, বিচার শুরু

  • আপডেট সময় সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৮.৩৫ পিএম
  • ০ বার পড়া হয়েছে

এনবিআর সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। এর মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হলো।

সোমবার (৩ আগস্ট) ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ বি. এম. তারিকুল কবীর আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেছে।

আদালত সূত্র জানায়, সকালে মতিউর রহমানকে কারাগার থেকে আদালতে এনে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। পরে তাকে এজলাসে তোলা হলে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। বিচারক আসামি নিজেকে দোষী না নির্দোষ তা জানতে চাইলে মতিউর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন। এরপর আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

শুনানিকালে মতিউর রহমানের পক্ষে অ্যাডভোকেট আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন জামিনের আবেদন করে শুনানি করেন। অন্যদিকে দুদকের প্রসিকিউটর মীর আহম্মেদ আলী সালাম জামিনের বিরোধিতা করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নাকচ করেন।

এর আগে গত ২১ জুলাই মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিলো। তবে বিচারক ছুটিতে থাকায় সেদিন আদেশ না দিয়ে তিন আগস্ট নতুন তারিখ ধার্য করা হয়েছিলো।

মতিউরের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো হলো- ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে পাঁচ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং এক কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন।

ইতিমধ্যে তার ৬৫ বিঘা জমি, আটটি ফ্ল্যাট, দুটি রিসোর্ট ও পিকনিক স্পট এবং তিনটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ব্যাংক হিসাব, এমএফএস হিসাব ও বিও হিসাব ক্রোক অবস্থায় রয়েছে।

২০২৪ সালের কোরবানির ঈদের সময় ১৫ লাখ টাকায় একটি ছাগল কেনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়। ওই ঘটনায় মুশফিকুর রহমান ইফাত নামের এক যুবক আলোচনায় আসেন, যাকে মতিউর রহমানের ছেলে বলে বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করা হয়। এই ঘটনাটি দেশজুড়ে ‘ছাগলকাণ্ড’ নামে পরিচিতি পায়।

এরপরই এনবিআরের সাবেক এই সদস্য ও তার পরিবারের নামে-বেনামে থাকা বিপুল বিত্তবৈভবের তথ্য প্রকাশ্যে আসতে থাকে। দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হলে ২০২৪ সালের চার জুন দুদক মতিউর ও তার পরিবারের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অনুসন্ধানে নামে। অনুসন্ধানে তাদের নামে অঢেল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির খোঁজ পায় সংস্থাটি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com