সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী পিরোজপুরে নতুন ডিসি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গোলাম রব্বানী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক আলী আহমদ শাহিন, সদস্য সচিব মুজিব উল্ল্যাহ তুষার জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক ঘোষণা’র প্রধান নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলামের জন্মদিন উদযাপন শিক্ষা ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক সংলাপ

আগামী সপ্তাহে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগটি ফয়সালা করবে বিশ্ব আদালত

  • আপডেট সময় শনিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২.৪৭ এএম
  • ৩৬৮ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে কি হতে যাচ্ছে হেগের বিশ্ব আদালত নামে পরিচিত আইসিজেতে। শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিও হেগের দিকে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসিজে আগামী সপ্তাহে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগটি ফয়সালা করবে। গত মাসে আইসিজেতে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া একটি মামলা দায়ের করে। ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশনের অধীনে মামলাটি দায়ের করা হয়। মিয়ানমার ও গাম্বিয়া উভয়েই এই কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী। মিয়ানমারের বেসামরিক অংশের নেত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি তার দেশের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেবেন। তার সঙ্গে যাচ্ছেন একদল সিনিয়র আইনজীবী। ১০ই ডিসেম্বর হেগে বসছে এই আদালত।

আইসিজে’র ১৫ বিচারকের প্যানেল বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগও খতিয়ে দেখে থাকে। ১৫০টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত আইসিজে-তে গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কনভেনশন অনুযায়ী সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি নির্দিষ্ট জাতিগত, বর্ণগত, নৃতত্ত্বীয় বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে করা কর্মকা-কে গণহত্যা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আইসিজে’র চার্টার অনুযায়ী এই আদালত গণহত্যার দায়ে মিয়ানমার দোষী কি না তা বিবেচনা করবে না। তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তথাকথিত অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণে একটি অনুরোধ বিবেচনা করবে।

আদালত মিয়ানমারে চলমান সকল নির্যাতন বা চুক্তি লঙ্ঘন ঠেকাতে এক ধরনের প্রাথমিক নির্দেশনা দেবে। এই পদক্ষেপটি অনেকটা ‘রেস্ট্রেইনিং অর্ডারের’ মতো। কিন্তু এখানে ব্যক্তির বদলে রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আইসিজে সাধারণত এ ধরনের মামলায় সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক বছর সময় নেয়। কিন্তু অস্থায়ী পদক্ষেপের নির্দেশ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জারি করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আদালতের রায়ই চূড়ান্ত। এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই। কিন্তু নির্দেশ মানতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করার ক্ষমতা নেই এই আদালতের। এর আগে ১৯৯২-৯৫ সালে যুদ্ধের সময় বসনিয়ার অভ্যন্তরে মুসলিম গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল সার্বিয়ার বিরুদ্ধে। আইসিজে সে মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছে। ২০০৭ সালে আইসিজে রায় দেয়, বসনিয়ার অভ্যন্তরে ১৯৯৫ সালে যুদ্ধ চলাকালীন এই গণহত্যায় ৮ হাজার মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com