সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী পিরোজপুরে নতুন ডিসি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গোলাম রব্বানী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক আলী আহমদ শাহিন, সদস্য সচিব মুজিব উল্ল্যাহ তুষার জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক ঘোষণা’র প্রধান নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলামের জন্মদিন উদযাপন শিক্ষা ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক সংলাপ

রোহিঙ্গা সমস্যার জন্য দায়ী জিয়াউর রহমান : প্রধানমন্ত্রী

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯, ৮.২৫ পিএম
  • ৮০৭ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ জাতীয় সংসদে রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির জন্য সাবেক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানকে অভিযুক্ত করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘রোহিঙ্গা সমস্যা সৃষ্টির পেছনে জিয়াউর রহমানের হাত রয়েছে, এতে কোন সন্দেহ নাই।
প্রধানমন্ত্রী আজ একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তরিকত ফেডারেশনের সংসদ সদস্য নজিবুল বাশার মাইজভান্ডারীর এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে একথা বলেন।
ড. শিরীন শারমীন চৌধুরী এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা বিষয় যদি আপনারা লক্ষ্য করেন ’৭৫ এ জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশে যে হত্যা, ক্যু এবং ষড়যন্ত্রের রাজনীতি শুরু হয় এবং এর পরে পার্বত্য চট্টগ্রামে সমস্যাটাও সৃষ্টি হয় ’৭৬-’৭৭ সালে। আর ’৭৮ সালে এই রোহিঙ্গা সমস্যা শুরু হয়। এটাই বাস্তবতা।’
বর্তমান সরকার যেকোন সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাসী উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা এ ধরনের উদ্যোগও নিয়েছি।’
যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে তাদের উদ্দেশ্যে হুশিয়ারী উচ্চারণ করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি একটা কথা স্পষ্টভাবে বলতে চাই- বাংলাদেশের মাটি থেকে প্রতিবেশি কোন দেশে কেউ কোন রকমের দেশ বিরোধী বা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানোর সুযোগ দেয়া হবেনা। কোন সন্ত্রাসীর স্থান বাংলার মাটিতে হবে না, এটা আমরা নিশ্চিত করেছি।
তিনি বলেন, ‘কিছু বিষয় আছে যা অভ্যন্তরীণ ব্যাপার, কিন্তু বাংলাদেশের মাটিকে আমরা কোন সন্ত্রাসী কাজে ব্যবহার করতে দেব না।’
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীত সরকারগুলো যা করেছিল, এদেরকে আমরা এদেশ থেকে বিতাড়িত করেছি এবং বাংলাদেশ সবসময় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি করতে চায়। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়-এই নীতিতেই আমরা বিশ্বাস করি।
সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ভারত এবং চীনের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আমরা আমাদের এই প্রতিবেশি দু’টি দেশের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা করেছি এবং এ বিষয়ে তাদের সক্রিয় ভূমিকা আশা করছি।
এ বিষয়ে মিয়ানমারের সীমান্তে ঘেঁষে অবস্থিত ভারত-চীন সহ অন্যান্য দেশ যেমন লাওস এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গেও বাংলাদেশ আলাপ-আলোচনা চালিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কারণ এই প্রতিটি দেশের সীমান্তেই মিয়ানমারের ছোট ছোট ধর্মীয় গোষ্ঠীর সঙ্গে সমস্যা লেগে রয়েছে। কাজেই এই সমস্যাগুলোর যাতে সমাধান করা যায় সে বিষয়ে আমাদের আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর চীন সফরকালে চীনের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রীকে তিনি অনুরোধ করার প্রেক্ষিতে তারা এ বিষয়ে যথাযথ ভূমিকা গ্রহণের কথা বলেন। যার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যেই মিয়ানমারে চীনের একটি প্রতিনিধি দল গিয়েছিল, তাঁরা বিষয়টি আলোচনা করেছেন এবং মিয়ানমারকে তারাও চাপ দিচ্ছেন।
তাছাড়া, তাঁর ভারত সফরকালে এবং জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৪ তম অধিবেশনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি তাঁদের মধ্যে আলাপ হয়েছে বলেও প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘আমি প্রত্যেকের কাছ থেকেই ভাল সাড়া পেয়েছি এবং এই সমস্যাটির যে একটা সমাধান হওয়া উচিত এখন এটা সকলেই অনুধাবন করে। তবে, তাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা হলো মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের যে সম্পর্ক সেটা রেখে এই রোহিঙ্গারা যেন নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরে যেতে পারে। কাজেই তাদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com