স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যা আশঙ্কা করেছিলেন, তাই ঘটল। লকডাউন বিধি শিথিল হতেই করোনায় সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়তে শুরু করল জার্মানিতে। গোটা দেশে এখন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭১ হাজার মানুষ। মৃত্যু
নোভেল করোনার প্রকোপ থেকে রক্ষা পেল না হোয়াইট হাউসও। কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংস্পর্শে আসায় এ বার কোয়রান্টিনে গেলেন হোয়াইট হাউস করোনাভাইরাস টাস্ক ফোর্সের তিন আধিকারিক। টাস্ক ফোর্সের অন্যতম শীর্ষ আধিকারিক তথা ন্যাশনাল
করোনাভাইরাস মহামারির সময়ে সামাজিক কার্যক্রম আবার শুরু করার ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ রোগ নিয়ন্ত্রক বিশেষজ্ঞদের বিস্তারিত পরামর্শ লুকিয়ে রাখার সিদ্ধান্ত আসে হোয়াইট হাউজের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে। বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস সরকারের
ভারতে অন্ধপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে বৃহস্পতিবার ভোর তিনটে নাগাদ একটি পলিমার কারখানায় হঠাৎ বিস্ফোরণে বিষাক্ত গ্যাস বিষাক্ত গ্যাস লিক হওয়ার পরে শনিবার, ৯ই মে ক্ষুব্ধ প্রতিবাদকারীরা রাসায়নিক প্লান্টে প্রবেশ করে। বিষাক্ত গ্যাসের
ভারতে তৃতীয় দফার লকডাউন শেষ হচ্ছে ১৭ মে। তার আগেই প্রায় ৬০ হাজারে পৌঁছে গেল দেশ জুড়ে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ হাজার ৩২০ জনের করোনা ধরা
প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তদের সংখ্যা। এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের তান্ডব কোথায় গিয়ে শেষ হবে তা অজানা থাকলে বিশ্বের চিকিৎসকরা থেমে নেই তাদের আপ্রাণ চেষ্টা থেকে। এর ফলে আক্রান্ত