বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৩ অপরাহ্ন

গুলিস্তান ও মিরপুরে শতাধিক অবৈধ দোকান উচ্ছেদ

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ৬.৪৩ পিএম
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণ মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে একই দিনে সাঁড়াশি অভিযানে নেমেছে ঢাকা দক্ষিণ (ডিএসসিসি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

বুধবার সকাল থেকে গুলিস্তান ও মিরপুর এলাকায় আলাদা এসব অভিযানে গুঁড়িয়ে দেয়া হয়েছে শতাধিক অবৈধ অবকাঠামো। পুনরায় ফুটপাত দখল করলে মালামাল জব্দের পাশাপাশি জড়িত হকারদের গ্রেপ্তারেরও কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে প্রশাসন।বুধবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গুলিস্তানের ঢাকা ট্রেড সেন্টার ও ফুলবাড়িয়া সুপারমার্কেট সংলগ্ন ফুটপাতে অভিযান চালায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। চারজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে শতাধিক উচ্ছেদকর্মী এবং ছয় প্লাটুন পুলিশ সদস্য এই অভিযানে অংশ নেন।

ভারী যন্ত্রপাতি ও পে-লোডার দিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় একের পর এক অবৈধ দোকান। জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ মালামাল ও দোকান তৈরির সরঞ্জাম উচ্ছেদ অভিযান সরেজমিনে পরিদর্শন করে ডিএসসিসি প্রশাসক আবদুস সালাম বলেন, হকারদের জন্য নির্দিষ্ট কিছু ফুটপাত, নৈশকালীন মার্কেট ও হলিডে মার্কেট নির্ধারণ করা আছে। তারা শুধু সেখানেই বসতে পারবেন। বিশেষ করে গুলিস্তান থেকে সদরঘাট পর্যন্ত মূল রাস্তায় কোনোভাবেই হকার বসতে দেয়া হবে না।

হকার নেতাদের সঙ্গে বারবার বৈঠক করা সত্ত্বেও নিয়ম না মানায় ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসক স্পষ্ট জানান, ফুটপাত উচ্ছেদের পর পুনরায় দখল করলে এবার আর কোনো ছাড় নয়; মালামাল জব্দের পাশাপাশি সরাসরি গ্রেপ্তারের মতো কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পথচারীদের যাতায়াত স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান চলবে।অন্যদিকে, রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বর গোলচত্বর এলাকা ফুটপাত মুক্ত করতে বেলা ১১টায় প্রথম দফার অভিযানে নামে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। বিকাল ৫টায় মিরপুর-১ গোল চত্বরের ফুটওভার ব্রিজের নিচ থেকে দ্বিতীয় দফার অভিযান চালায় সংস্থাটি।

অভিযানকালে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নগরবাসীকে কথা দিয়েছিলাম, একেকটি করে ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে। সাধারণ মানুষ হাঁটবে ফুটপাত দিয়ে, আর রাস্তায় চলবে গাড়ি। কিন্তু বছরের পর বছর ধরে এখানে রাস্তা বন্ধ করে অবৈধ দোকানপাট চালানো হচ্ছিল।”

তিনি আরও জানান, আগে মিরপুর-১০ নম্বর গোলচত্বরকে যেভাবে দখলমুক্ত করা হয়েছিল, একইভাবে মিরপুর-১ নম্বর এলাকাকেও একটি মডেল হিসেবে গড়ে তোলা হবে। উচ্ছেদের পর স্থায়ীভাবে ফুটপাত খালি রাখা এবং হাঁটাহাঁটির উপযোগী না করা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে এই অভিযান চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা, পুলিশ ও মার্কেট কমিটির নেতৃবৃন্দও ফুটপাত পুনরুদ্ধারের এই উদ্যোগে সিটি করপোরেশনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেন।

একাত্তর

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com