শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সৌদির কারাগারে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলিউডের জনপ্রিয় জুটি শাহরুখ-দীপিকা একসঙ্গে কিং সিনেমায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি বিনামূল্যে খেলা দেখা যাবে মাঠে বসে বাংলাদেশ-উইন্ডিজ টেস্ট ঝালকাঠির রাজাপুরের গালুয়া বাজারে ১৪৪ ধারা জারি মোটরসাইকেলের ট্যাংকিতে লুকিয়ে রাখা ৭ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের বাংলাদেশ দল ঘোষণা ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যা মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দোকানপাট-শপিং মল রাত ৮টায় বন্ধ তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, ৫.০৭ পিএম
  • ২৪ বার পড়া হয়েছে

তিব্বতের একটি প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানা শক্তিশালী এক ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে জানা গেছে, রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার এই তীব্র ভূকম্পনটি তিব্বতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। আকস্মিক এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধসে পড়া ঘরবাড়ির নিচে চাপা পড়ে আরও অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, এই শক্তিশালী ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা কেন্দ্রস্থল ছিল তিব্বতের নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকা। তবে ভূমিকম্পের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, এর উৎপত্তিস্থল থেকে বেশ দূরে অবস্থিত কামদো এবং নিংচি শহরের বাসিন্দারাও জোরালো কম্পন অনুভব করেছেন এবং আতঙ্কে ঘরবাড়ি ছেড়ে খোলা জায়গায় বেরিয়ে আসেন।

ভূমিকম্পের তীব্র আঘাতে উপদ্রুত এলাকাগুলোর বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রায় তিন শতাধিক বাড়িঘর আংশিক বা সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়া পাহাড়ি অঞ্চলে ভূমিকম্পের পরপরই ব্যাপক ভূমিধস শুরু হয়েছে। এর ফলে প্রধান প্রধান সড়ক ও যোগাযোগ পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুর্গম ও উঁচু পার্বত্য এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে উদ্ধারকারী দল এবং জরুরি ত্রাণ পৌঁছানো চরম কঠিন হয়ে পড়েছে। তিব্বত এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে এটিই প্রথম বড় বিপর্যয় নয়। এর মাত্র দুই মাস আগে হিমবাহ ধসের কারণে সৃষ্ট ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে তিব্বত এবং নেপালে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছিল, যেখানে প্রায় ১৪০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং শত শত মানুষ নিখোঁজ হন। এছাড়া বিগত ২০২৩ সালেও চীনের পার্বত্য প্রদেশ গানসুতে ৬.২ মাত্রার এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১২০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

তিব্বত ভৌগোলিক ও রাজনৈতিকভাবে চীনের অন্যতম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত একটি অঞ্চল। এই সংবেদনশীল এলাকায় বিদেশি সাংবাদিক ও স্বাধীন গণমাধ্যম কর্মীদের প্রবেশের ওপর দেশটির সরকারের কঠোর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে দুর্গম পার্বত্য এলাকাগুলোতে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার অভিযানের সর্বশেষ পরিস্থিতি সরাসরি বা বিস্তারিতভাবে জানা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com