বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক, তদন্ত কমিটি গঠনে হাইকোর্টের নির্দেশ হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলা, সাংবাদিকদের গাড়ি ভাঙচুর জাপানে কিউশু দ্বীপে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও তিন মৃত্যু ফরিদপুরে সবজি বিক্রেতা হত্যায় তিনজনের মৃত্যুদণ্ড বঙ্গভবনে কার্যক্রম শুরু করলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি নির্ভুল ও হালনাগাদ মানচিত্র জাতীয় নিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশে খেলাধুলার বিকল্প নেই : তথ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা নেই: সিইসি মানিকগঞ্জের সিংগাইরের স্কুলছাত্র সোহান হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

৬-৭ বিঘা জমি নদীতে, এমপিকে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জনগন

  • আপডেট সময় সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ২.০২ পিএম
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

মাহমুদুর রহমান(তুরান)ফরিদপুরঃ- ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের শয়তানখালী এলাকার নদীভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল।

আজ সকাল ১১টার দিকে সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের শয়তানখালী এলাকায় নদীভাঙন পরিদর্শনে যান সংসদ সদস্য। এ সময় ভাঙনকবলিত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন।

পরিদর্শনের সময় নদীভাঙনে চাষের জমি হারানো সেলিনা বেগম (৪০) নামের এক নারী সংসদ সদস্যকে সামনে পেয়ে কেঁদে ফেলেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি নদীভাঙন থেকে স্থায়ীভাবে রক্ষার ব্যবস্থা এবং নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান।

সেলিনা বেগম আরো বলেন, ‘গত কয়েক বছরে নদীভাঙনে আমার ৬ থেকে ৭ বিঘা কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এখন আমরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা না নিলে বসতভিটাও হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।’

সেলিনা বেগমের মতো নদীপাড়ের আরও অনেক ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাও তাদের দুর্ভোগ, ফসলি জমি ও বসতবাড়ি হারানোর আশঙ্কার কথা সংসদ সদস্যের কাছে তুলে ধরেন। তারা দ্রুত কার্যকর ও টেকসই নদীশাসনের দাবি জানান।

সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বাবুল বলেন, নদীভাঙন সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে ইতোমধ্যে আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর কাছেও তুলে ধরা হয়েছে। তিনি জানান, জরুরি ব্যবস্থা হিসেবে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে নদীতে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু হবে। পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই নদীশাসনের উদ্যোগও নেওয়া হবে।

বর্তমানে সদরপুর উপজেলার ঢেউখালী ইউনিয়নের শয়তানখালী ও বেপারীডাঙ্গী এবং আকোটেরচর ইউনিয়নের ছলেনামা ও আকোট গ্রামে তীব্র নদীভাঙন চলছে। ইতোমধ্যে শত শত বিঘা কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে আকোট জনসংঘ উচ্চবিদ্যালয়, আশ্রয়ণ ও গুচ্ছগ্রাম, দুটি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিয়াজখালী বাজার, আকোট গুচ্ছগ্রামসহ প্রায় ১০টি গ্রাম।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com