সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ প্রিজনভ্যান থেকে পালানো ‘পিচ্চি রাজার’ সন্ধান চেয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্ত্রী পিরোজপুরে নতুন ডিসি হিসেবে যোগ দিচ্ছেন গোলাম রব্বানী ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে কুলিক নদীর কুলে কুকুরের মুখ থেকে নবজাতক উদ্ধার পরকীয়ার অভিযোগ, একের পর এক সংসার ভাঙার গল্প মহিদুলকে ঘিরে বায়েজিদ সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ, আহ্বায়ক আলী আহমদ শাহিন, সদস্য সচিব মুজিব উল্ল্যাহ তুষার জমকালো আয়োজনে ‘দৈনিক ঘোষণা’র প্রধান নির্বাহী সম্পাদক এস এম জহিরুল ইসলামের জন্মদিন উদযাপন শিক্ষা ফলাফল নয়, ভবিষ্যৎ গড়ার পাঠ চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক সংলাপ

স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই, ২০২৬, ৭.১৭ পিএম
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঢাকার মহাখালী এলাকায় দ্বিতীয় বিয়ে করায় স্বামীকে হত্যার পর ছয় টুকরো করার দায়ে স্ত্রী ফাতেমা বেগম শিল্পীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি  আদালত।

এছাড়া লাশ গুমের দায়ে ফাতেমা বেগম শিল্পীকে সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাস বিনাশ্রম কারাভোগ করতে হবে।

আজ ঢাকার ১৬তম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নাজমুন নাহার নিপু আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ২০২১ সালের ৩০ মে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ রোডের আমতলী এলাকায় নীল রঙের ড্রামের মধ্যে বনানী থানা-পুলিশ একজন পুরুষ ব্যক্তির মাথাবিহীন দেহ উদ্ধার করে। একই দিন রাত ১১টার পর মহাখালী বাস টার্মিনালের এনা কাউন্টারের কাছে একটি ব্যাগের মধ্যে উরু থেকে খণ্ডিত দু’টি পা এবং কাঁধ থেকে খণ্ডিত দু’টি হাতের অংশ উদ্ধার করে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা-পুলিশ।

দুই দিনে আলাদা আলাদা স্থান থেকে লাশের ছয় টুকরো উদ্ধার করা হয়।

এরপর মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয় ফাতেমাকে। গ্রেফতারের পর ফাতেমা হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

ফাতেমা পুলিশকে জানান, পারিবারিক কলহ, টাকা-পয়সা বন্টন ও একাধিক বিয়েকে কেন্দ্র করে ময়না মিয়া ওরফে শাকিলের সঙ্গে তার মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে ফাতেমা পরিকল্পনা করে তার অটোরিকশা চালক স্বামীকে ঘুমের ট্যাবলেট খাইয়ে নিস্তেজ করেন এবং পরে জবাই করে লাশ ছয় টুকরো করেন। একটি লাল রঙের কাপড়ের ব্যাগে মাথা, শরীরের মূল অংশকে একটি নীল রঙের পানির ড্রামে এবং খণ্ডিত দুই পা ও দুই হাতকে একটি বড় কাপড়ের ব্যাগে ঢুকিয়ে রাখেন ফাতেমা। এরপর ১ হাজার ৩০০  টাকায় রিকশা ভাড়া করে প্রথমে আমতলী এলাকায় শরীরের মূল অংশ ফেলে দেন। পরে মহাখালী এনা বাস কাউন্টারের সামনে খণ্ডিত দুই হাত, দুই পা ভর্তি ব্যাগ রেখে  চলে যান বাসায়। সেখান থেকে খণ্ডিত মাথা রাখা ব্যাগটি নিয়ে বনানী ১১ নম্বর ব্রিজের পূর্ব পাশ থেকে গুলশান লেকে ফেলে দিয়ে বাসায় আসেন।

এ ঘটনায় ময়না মিয়ার দ্বিতীয় স্ত্রী নাসরিন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় একই বছরের  ১ জুন মামলা দায়ের করেন। ২০২২ সালের ২৪ অক্টোবর ফাতেমাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। ২০২৩ সালের ১২ মার্চ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে আদালতে ২৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com