রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে দ্বীপ জেলা ভোলা ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ বাতিল হলো বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশে আরোপ করা ট্রাম্পের ভিসানীতি সিলেটে তেলবাহী লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৪ জন নিহত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন কনিকার বাড়িতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে নদীতে নিয়ে ধর্ষণ   করলেন আপন দুই ভাই!  ইউরোপ সফর শেষে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রশংসিত আরিফ হোসেন শামীম

ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের জন্য সহজ ও স্বল্পমূল্যের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে গণস্বাস্থ্য

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২০ মার্চ, ২০২০, ২.০১ পিএম
  • ৪০৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বব্যাপী মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের জন্য সহজ ও স্বল্পমূল্যের একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে  বাংলাদেশের বেসরকারি সংগঠন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

প্রতিষ্ঠানটি বলছে, তাদের উদ্ভাবিত পদ্ধতিটি অতি সহজে করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগী শনাক্ত করতে পারবে। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, এটি একটি ভিন্নতর পদ্ধতি যার নাম দেয়া হয়েছে ‘র‍্যাপিড ডট ব্লট।’

তিনি জানিয়েছেন বৃহস্পতিবার সরকার বিদেশ থেকে এর কাঁচামাল আমদানির জন্য অনুমতি দিয়েছে। তিনি জানান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীলের নেতৃত্বে ড. নিহাদ আদনান, ড. মোহাম্মদ রাশেদ জমিরউদ্দিন ও ড. ফিরোজ আহমেদ এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। ডা. বিজন কুমার শীল ২০০৩ সালে সিঙ্গাপুরে সারস শনাক্তের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন এবং এর প্যাটেন্ট পরবর্তীতে চীন কিনে নেয় বলে জানান জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

তিনি বলেন, নতুন উদ্ভাবিত পদ্ধতির মাধ্যমে খুবই স্বল্প সময়ে কোন ব্যক্তির শরীরে করোনা ভাইরাস আছে কিনা তা জানা যাবে এবং এতে সর্বচ্চ খরচ পড়বে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকার মতো। তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে করোনা ভাইরাস শনাক্তের যে পরিমাণ কিট রয়েছে তা ব্যয়বহুল এবং প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই কম। ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল বা সিডিসি তাদের উদ্ভাবিত পদ্ধতির বিষয়ে ইতোমধ্যেই আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তবে তিনি বলেন, খুব শীঘ্রই তাঁরা এর নমুনা তৈরি করে বিশ্ব স্বীকৃত বিভিন্ন সংস্থার কাছে পাঠাবেন এর কার্যকারিতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য। এ বিষয়ে তিনি ভয়েস অব অ্যামেরিকার সাথে কথা বলেছেন।

বাংলাদেশের ঔষধ প্রশাসন বলেছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সবুজ সংকেত পাওয়ার পরই নতুন পদ্ধতির ব্যবহার করা সম্ভব হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com