বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ১০:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
স্বামীর মৃত্যুতে ১২ ঘণ্টার জন্য কারাগার থেকে মুক্তি পাচ্ছেন ডা. দীপু মনি কলকাতায় আগুনে নিহত ৫ বাংলাদেশির পরিচয় প্রকাশ অঙ্গীকার ও ওয়াদা রক্ষাই বিএনপির সংস্কৃতি : রিজভী ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উদযাপনে জাতীয় কর্মসূচি ঘোষণা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কাল, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ সমঝোতা স্মারকের শর্তাবলী পুরোপুরি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে :ইরান ইনফান্তিনোর সমালোচনা করায় ফিফার সিওও বরখাস্ত! দুইশ’র বেশি মার্কিন ড্রোন-যুদ্ধবিমান ভূপাতিতের দাবি ইরানের গণঅভ্যুত্থানের সময় দেশের বিভিন্ন কারাগার থেকে পালানো জঙ্গিসহ ৬৯০ জন বন্দি এখনও পলাতক সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক মেজর মো. সাদিকুল হক

আগামী সপ্তাহে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগটি ফয়সালা করবে আইসিজে

  • আপডেট সময় রবিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১২.৩৬ এএম
  • ৩২৮ বার পড়া হয়েছে

রোহিঙ্গা গণহত্যা নিয়ে কি হতে যাচ্ছে হেগের বিশ্ব আদালত নামে পরিচিত আইসিজেতে। শুধু বাংলাদেশ নয়, আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টিও হেগের দিকে। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আইসিজে আগামী সপ্তাহে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগটি ফয়সালা করবে। গত মাসে আইসিজেতে রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া একটি মামলা দায়ের করে। ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশনের অধীনে মামলাটি দায়ের করা হয়। মিয়ানমার ও গাম্বিয়া উভয়েই এই কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী। মিয়ানমারের বেসামরিক অংশের নেত্রী ও স্টেট কাউন্সিলর অং সান সুচি তার দেশের পক্ষে আইনি লড়াইয়ে নেতৃত্ব দেবেন। তার সঙ্গে যাচ্ছেন একদল সিনিয়র আইনজীবী। ১০ই ডিসেম্বর হেগে বসছে এই আদালত।

আইসিজে’র ১৫ বিচারকের প্যানেল বিভিন্ন রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে জাতিসংঘের চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগও খতিয়ে দেখে থাকে। ১৫০টি দেশের সমন্বয়ে গঠিত আইসিজে-তে গণহত্যা প্রতিরোধ ও শাস্তি দেয়ার প্রতিশ্রুতি রয়েছে। কনভেনশন অনুযায়ী সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে একটি নির্দিষ্ট জাতিগত, বর্ণগত, নৃতত্ত্বীয় বা ধর্মীয় গোষ্ঠীকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে করা কর্মকা-কে গণহত্যা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আইসিজে’র চার্টার অনুযায়ী এই আদালত গণহত্যার দায়ে মিয়ানমার দোষী কি না তা বিবেচনা করবে না। তারা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে তথাকথিত অস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণে একটি অনুরোধ বিবেচনা করবে।

আদালত মিয়ানমারে চলমান সকল নির্যাতন বা চুক্তি লঙ্ঘন ঠেকাতে এক ধরনের প্রাথমিক নির্দেশনা দেবে। এই পদক্ষেপটি অনেকটা ‘রেস্ট্রেইনিং অর্ডারের’ মতো। কিন্তু এখানে ব্যক্তির বদলে রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। আইসিজে সাধারণত এ ধরনের মামলায় সিদ্ধান্ত নিতে কয়েক বছর সময় নেয়। কিন্তু অস্থায়ী পদক্ষেপের নির্দেশ কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই জারি করা সম্ভব। এ ক্ষেত্রে আদালতের রায়ই চূড়ান্ত। এর বিরুদ্ধে আপিলের সুযোগ নেই। কিন্তু নির্দেশ মানতে রাষ্ট্রকে বাধ্য করার ক্ষমতা নেই এই আদালতের। এর আগে ১৯৯২-৯৫ সালে যুদ্ধের সময় বসনিয়ার অভ্যন্তরে মুসলিম গণহত্যা চালানোর অভিযোগ আনা হয়েছিল সার্বিয়ার বিরুদ্ধে। আইসিজে সে মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় দিয়েছে। ২০০৭ সালে আইসিজে রায় দেয়, বসনিয়ার অভ্যন্তরে ১৯৯৫ সালে যুদ্ধ চলাকালীন এই গণহত্যায় ৮ হাজার মুসলিমকে হত্যা করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com