সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

বঙ্গভবনে শপথ অনুষ্ঠানে এক হাজার অতিথির আমন্ত্রণ

  • আপডেট সময় শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, ৮.৪৯ পিএম
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি ও সময়সূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ। শনিবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি জানান, বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গসহ প্রায় এক হাজার অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ীদের নামে গেজেট ইতোমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে। আইনি বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের তিন কার্যদিবসের মধ্যে নির্বাচিতদের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়।

রোববার থেকে কর্মদিবস শুরু হওয়ায় ১৫, ১৬ বা ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই এই শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী তিন বা সর্বোচ্চ চার দিনের মধ্যে সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।

শপথ পরবর্তী ধাপগুলো ব্যাখ্যা করে সচিব বলেন, সংসদ সদস্যরা শপথ নেয়ার পর বিজয়ী দল তাদের সংসদীয় নেতা নির্বাচন করবেন। এরপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা রাষ্ট্রপতিকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি অবহিত করবেন। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তখন তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেবেন এবং পরবর্তীতে একটি সুবিধাজনক সময়ে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠিত হবে।

সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর বিষয়টি নিয়ে এখনো কিছুটা অস্পষ্টতা রয়েছে। সচিব জানান, এটি সংসদ সচিবালয়ের এখতিয়ার।

তবে তিনি অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানান, এখানে একাধিক বিকল্প রয়েছে। সাধারণত স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়ান। কিন্তু বিশেষ পরিস্থিতিতে তাঁরা না থাকলে তাঁদের মনোনীত কেউ অথবা প্রধান বিচারপতি কিংবা প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করাতে পারেন। তবে মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ বরাবরের মতোই সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পাঠ করাবেন।

শপথ অনুষ্ঠানের জন্য প্রশাসনিকভাবে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন শেখ আব্দুর রশীদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বা পরিস্থিতির প্রয়োজনে এর পরেও অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com