সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

এক-এগারো অচলাবস্থা ভেঙে অভিযাত্রা ব্যারিস্টার ফারজানা ছাত্তার এমপি

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১১ জুন, ২০২৪, ৭.৫৫ পিএম
  • ১৬২ বার পড়া হয়েছে
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী ও আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সম্মানিত সদস্য এবং ঈশ্বরগঞ্জের গৌরব ব্যারিস্টার ফারজানা ছাত্তার এমপি বলেন বিএনপি-জামাত(২০০১-২০০৫) জোট সরকারের পাঁচ বছরের দুঃশাসনে দেশ পরিণত হয়েছিল এক মৃত্যু উপত্যকায়। সরকারের নীতি হয়ে দাঁড়ায় দুর্নীতি, লুটপাট ও দুর্বৃত্তায়ন,অরাজকতা। সংসদকে অকার্যকর করে দেশের সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে। শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রী, সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, নারী-শিশু, ব্যবসায়ী – কেউই রেহাই পায় নি জোট সরকারের ফ্যাসিস্ট বাহিনীর কবল থেকে। জোট সরকারের দুঃশাসন ও দমন-নিপীড়ন থেকে মুক্তি পেতে দেশের আপামর জনগণ শেখ হাসিনার গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে শামিল হয়। জনতার চূড়ান্ত সংগ্রামের এক পর্যায়ে পতন হয় বিএনপি সরকারের। ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ এর নামে ক্ষমতা গ্রহণ করে মঈন-ফখরুদ্দীন। কিন্তু গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারা নিজেরাই দীর্ঘমেয়াদি অগণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালায়। চলে বিরাজনীতিকরণ প্রক্রিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন মিথ্যা, ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গণতন্ত্রের মানসকন্যা বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারের থাকা অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। শেখ হাসিনাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে রাজপথে নেমে আসে জনতা।
আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে সংগঠিত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সমর্থন জানিয়ে আন্তর্জাতিক মহল থেকেও শেখ হাসিনাকে মুক্তি দেওয়ার দাবি ওঠে। শেখ হাসিনার আপসহীন মনোভাব এবং জনতার অপ্রতিরোধ্য আন্দোলন ও অনড় দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার। শেখ হাসিনার মুক্তির মাধ্যমে ২০০৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে মহাজোট সরকারের বিজয়ের পথ ত্বরাণ্বিত হয়। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। তাই ১১ জুন অবরুদ্ধ গণতন্ত্রের মুক্তির দিন।২০০৯ সাল থেকে টানা চতুর্থ বারের মত নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর মতই দেশের জনতার সাথে জুড়ে আছেন, মিশে আছেন। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশকে সুইজারল্যান্ডে পরিণত করার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সততা, নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা, ঐকান্তিক প্রচেষ্টা, দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা এবং অসাধারণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে উন্নয়নের সেই কাঙ্খিত মাত্রায়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com