সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

নগরে অবহেলিত স্বাস্থ্যসেবা, অর্থায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৭ জুন, ২০২৪, ৮.২৫ পিএম
  • ২২১ বার পড়া হয়েছে

প্রায় ২৬ বছর যাবত দেশের শহরাঞ্চলের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে, বিদেশি ঋণ সহায়তায় অস্থায়ী প্রকল্পের ভিত্তিতে। এই প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও এখনো স্থায়ী কোনো কাঠামো তৈরি করতে পারেনি নগর প্রশাসন।

নতুন কাঠামোর মাধ্যমে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চলছে পরিকল্পনা। তবে অর্থায়ন নিয়ে এখনো অনিশ্চিত নগর কর্তৃপক্ষ।

শহরের মানুষের প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সাংবিধানিকভাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের ওপর বর্তালেও এখনো পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশনগুলোতে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে চলছে এই কাজ।

১৯৯৮ সাল থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পের আওতায় ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনে ৬০ প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ১২ টি নগর মাতৃসদনের মাধ্যমে চলছে এই কার্যক্রম।

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সুদবিহীন ঋণের মাধ্যমে চলা এই প্রকল্পের অন্যতম শর্ত ছিলো, মেয়াদ শেষ হবার পর সিটি কর্পোরেশনগুলো নিজেই এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর অর্থের সংস্থান করবে। অথচ আগামী বছর প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হতে চললেও এখন পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশনগুলোতে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কোনো স্থায়ী কাঠামো করা হয়নি।

ইউপিএইচসিএসডিপি প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) আবুল ফয়েজ মো. আলাউদ্দিন খান বলেন, এই প্রকল্পের সফল সমাপ্তির পরে সিটি কর্পোরেশন এবং পৌরসভা এলাকায় বসবাসকারী জনগণের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা তাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়, নিজস্ব জনবলে এবং নিজস্ব অর্থে পরিচালনা করবে।

তিনি আরও বলেন, এটা আমাদের প্লানে বলা আছে। কিন্তু এখনও আমাদের সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার মেয়র মহোদয়দেরকে আমরা সেনসিটাইজ করছি। তারাও এ দায়িত্ব নিতে রাজি আছেন। তবে তাদের প্রস্তুতির অভাব আছে।

তবে ঢাকা উত্তরের মেয়র জানান, নগরবাসীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত একটি কমিউনিটি ক্লিনিক করার কথা ভাবছেন তারা।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ৫৪টি ওয়ার্ডে ৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিক থাকবে এবং এই ৫৪টি কমিউনিটি ক্লিনিকের রেফারেল হাসপাতাল হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক যে ফিজিবিলিটি রিপোর্ট হবে। এটা এআইআইবি, এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক যেটা আছে, পুরোটা ফিজিবিলিটি করে গ্রান্টের মাধ্যমে প্রস্তুত করে আমি জমা দিয়েছি এআইডির কাছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের কঠোরতায় যে মানুষগুলো শহরে আসেন তাদের প্রতি উন্নত বিশ্বের কার্বন নিঃসরণকারী দেশগুলোরও দায়বদ্ধতা আছে। তাই জলবায়ু তহবিলের অর্থ স্বাস্থ্যখাতে ব্যয় হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন মেয়র।

– একাত্তর

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com