সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

“হাই কোর্টে রিট ” নড়াইল ২ আসনের সতন্ত্র প্রার্থী লায়ন নূর ইসলাম “

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১.০৬ পিএম
  • ১৯২ বার পড়া হয়েছে

বিশেষ প্রতিনিধিঃ-দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১শতাংশ সমর্থন তালিকা জমা প্রদানের মাধ্যমে প্রার্থীর মনোনয়ন যোগ্য বলে গৃহীত হবে বলে জানান ইসি।

নড়াইল ২ আসনে স্বতন্ত্র থেকে লায়ন নুর ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল বলে গণ্য করে জেলা রিটার্নিং অফিসার। এরই ধারাবাহিকতায় আজ ৭ ডিসেম্বর হাইকোর্টে আপিল করতে আসেন নড়াইল-২ আসনের মিডিয়া কোটার দাবি নিয়ে সতন্ত্র প্রার্থী ও জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন নূর ইসলাম।
হাই কোর্টে নূর ইসলাম তার বিজ্ঞ আইনজীবী কামাল হোসেন ও সাংবাদিক সংস্থার সাংবাদিক নেতাদের সাথে আলাপচারিতায় বলেন-
আমি লায়ন নূর ইসলাম নড়াইল ২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলাম। আমার মনোনয়ন পত্র বাতিল হলো শুধুমাত্র এক পার্সেন্ট ভোটার তালিকা ত্রুটি থাকার জন্য।

একটি বিষয় হলো গত ২৬ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমগ্র বাংলাদেশে নৌকার মনোনয়ন প্রার্থী যারা রয়েছি তাদের ডেকে পাঠালেন গণভবনে। ২৬ তারিখ গণভবনেই সারাটা দিন চলে গেল সবার। প্রার্থীরা যারা নমিনেশন পেল না তাদের উদ্যেশ্যে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দলীয় প্রার্থী স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে কোন বাধা নেই। এজন্যই প্রত্যেটা প্রার্থী চলে গেল নিজ এলাকায় ২৭ তারিখে।
২৭ তারিখও চলে গেল নিজ এলাকায় যেতে, এদিকে মনোনয়ন জমা প্রদানের শেষ সময় ৩০ নভেম্বর,
হাতে রইলো মাত্র ২ দিন।
এবার কথা হলো, একজন প্রার্থীর ২ দিন সময়ের মধ্যে ৪ থেকে ৫ হাজার সমর্থন সাক্ষর বৈধ ভাবে সংগ্রহ করা কোনো প্রকারেই সম্ভব নয় বলেই আমি মনে করি।
আর এই সল্প সময়ে সঠিক তথ্য সংগ্রহ ও প্রদান করায় সামান্য ত্রুটি থাকাটাই স্বাভাবিক।

এদিকে নূর ইসলামের বিজ্ঞ আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন –
১৯৭২ সালের গৃহীত আইনে ওয়ান পার্সেন্ট বলে কিছুই ছিল না, তবে ২০০৮ সালে প্রস্তাবিত সংশোধনীয় আইনে এটা বহাল হয়।
তবে আমি মনে করি ওয়ান পার্সেন্ট বিষয়টি অযৌক্তিক ও হয়রানি মূলক।এ আইনটি সংবিধানের সঙ্গেও সাংঘর্শিক।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com