সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারের সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাছে অস্ত্র এবং মানবিক সহায়তা চাইছে

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৭ জুলাই, ২০২৩, ৬.৫২ পিএম
  • ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারের সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলো যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের কাছে ড্রোন, সাঁজোয়া যান এবং রাডার জ্যামিং গিয়ারের জন্য অর্থসহ দেশটির সামরিক শাসনকে ক্ষমতাচ্যুত করতে তাদের সহায়তা করার জন্য ৫০ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের মানবিক এবং অপ্রাণঘাতী সহায়তা চেয়েছে।

মিয়ানমারের অন্য একটি নাম ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস ২০২৩ অর্থবছরের জন্য একটি ব্যাপক প্রতিরক্ষা বাজেটের অংশ হিসেবে ডিসেম্বরে কঠোর সামরিক জবাবদিহি আইনের মাধ্যমে বার্মা একীকরণ বা বার্মা আইন পাস করে যা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। আইনটি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে জান্তা প্রতিরোধকারী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অপ্রাণঘাতী সহায়তা করার অনুমোদন দেয়। কিন্তু এর জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি।

এই গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে কয়েকটি এখন কংগ্রেসকে আগামী অর্থবছরে মিয়ানমারের জন্য ৫২ কোটি ৫০ লাখ ডলার বরাদ্দ করতে বলছে। এর মধ্যে ২০ কোটি ডলার অপ্রাণঘাতী অস্ত্র সহায়তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মোট পরিমাণ সাধারণ সাহায্য এবং উন্নয়নের জন্য গত বছর মিয়ানমারের জন্য অনুমোদিত ১৩ কোটি ৬০ লাখ ডলারের প্রায় মোট চারগুণ হবে।

অনুরোধটি মিয়ানমারের জাতীয় ঐক্য সরকার নামের নির্বাসিত একটি ছায়া প্রশাসন এবং সহযোগী জাতিগত সংখ্যালঘু বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর ত্রয়ী থেকে এসেছে। তাদের শত শত ছোট, স্থানীয় মিলিশিয়াসহ মিয়ানমারের প্রায় অর্ধেক গ্রামাঞ্চলের সম্পূর্ণ বা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে বলে মনে করা হয়।

দলগুলো পশ্চিমা দেশগুলোর কাছে সামরিক সহায়তা চেয়েছে কিন্তু এখন পর্যন্ত তা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে।

অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রায় ৩০ হাজারের বেশি মানুষ মারা গেছে বলে অনুমান করা হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ৩ হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com