সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

মিতু হত্যা মামলায় বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ মার্চ, ২০২৩, ৭.৩৪ পিএম
  • ২১৬ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রামে চাঞ্চল্যকর মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছে আদালত। সোমবার উভয় পক্ষের শুনানি শেষে, অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত-৩-এর বিচারক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। এর মধ্য দিয়ে এই মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হলো। তবে এ আদেশের বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন বাবুলের আইনজীবী।

মিতু হত্যা মামলায় শুনানির জন্য সোমবার বেলা বারোটার দিকে চট্টগ্রামের আদালতে নেয়া হয় আলোচিত সাবেক এসপি বাবুল আক্তারকে। সাড়ে বারোটা থেকে শুরু হয় চাঞ্চল্যকর এই মামলার কার্যক্রম। দুপক্ষের আইনজীবীদের দীর্ঘ শুনানি শেষে বিকেল সাড়ে ৪টায় আদেশ দেন আদালত।

এতে বাবুল আক্তারসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। বাকি ৬ আসামি- কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুছা, মোতালেব মিয়া ওয়াসিম, খায়রুল ইসলাম কালু, এহতেশামুল হক ভোলা, আনোয়ার হোসেন এবং শাহাজাহান মিয়া। এদের মধ্যে চারজন কারাগারে, দুজন পলাতক এবং একজন জামিনে।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের পিপি মো. আবদুর রশীদ বলেন, আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন করেছিলাম। শুনানি শেষে আদালত সাতজন আসামির বিরুদ্ধেই অভিযোগ গঠন করেছেন।

তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা করে মাহমুদা আক্তার মিতুকে হত্যা করা হয়েছিল। যখন আসামি বাবুল আক্তার ঢাকায় ছিলেন, তখন সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছিল। আসামি কামরুল ইসলাম শিকদার মুছা, এহতেশামুল হক ভোলা ও মোতালেব মিয়া ওয়াসিমকে পূর্ব থেকে ভাড়া করে ও অস্ত্র সংগ্রহ করে এই হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করেন প্রধান আসামি বাবুল। এর জন্য আগে বিভিন্ন সময় বৈঠক করে। পরে ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তড়িঘড়ি করে নিজে মামলা করেছিল।

বাবুল আক্তারের আইনজীবীর গোলাম মাওলা মুরাদ বলেন, এই হত্যাকাণ্ডে বাবুলের সম্পৃক্ততা প্রমাণ করতে পারেনি তদন্ত সংস্থা। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়া হবে।

২০১৬ সালের ৫ জুন চট্টগ্রামের জিইসির মোড়ে খুন হন তৎকালীন এসপি বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু। নানা পট-পরিবর্তনের পর গেলো বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর এই মামলায় পিবিআইয়ের দেওয়া অভিযোগপত্রে বাবুলকে আসামি করা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com