মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা বিস্ফোরক মামলা আট বছর পরে জানলো ভুক্তভোগি

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৩ ডিসেম্বর, ২০২২, ৫.৩৮ পিএম
  • ২০৫ বার পড়া হয়েছে

মোঃ শহিদুল ইসলাম
সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ চট্টগ্রামের এক প্রবীণ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে মামলা হয়েছে। চন্দনাইশ থানার মামলা নং-১৩, ২০/০১/২০১৫ইং ধারা-বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ সনের ১৫(১০ এর (ক)। মামলার বাদী কে তাও জানানো হয়নি। তিনি চট্টগ্রাম জেলার চন্দনাইশ থানার দোহাজারী পৌরসভার ফুলতলার স্থানীয় মৃত সামশুল হুদার ছেলে কামরুল হুদা। তাকে ৪২ নং আসামি করা হয়েছে। সাংবাদিক কামরুল হুদা চট্টগ্রাম নগরীতে ৪২ বছর যাবৎ অবস্থান করছেন এবং দীর্ঘদিন যাবৎ সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত আছেন। ঈদের সময় ছাড়া তিনি বাড়ীতেও যান না। গত ২১ ডিসেম্বর সকাল ১০ টা ৪০ মিনিটে দোহাজারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এস আই মো: বিলাল হোসাইন (০১৮১৮-৬২৬৬২৫) ফোন দিয়ে বলেন আমি একটা তথ্যের জন্য ফোন দিয়েছি, ২০১৫ সালে বিশেষ ক্ষমতা আইনে যে আপনার নামে মামলা হয়েছিল। কি বলেন, কামরুল হুদা, পিতা সামশুল হুদা এত বড় মামলা হয়েছে ২০১৫ সালে, জামিন-টামিনও নেননি, আচ্ছা ঠিক আছে ভাই। এস আই সাহেব ফোন দেয়ার পর দীর্ঘ আট বছর পর মামলা হয়েছে তা জানতে পারেন বলে জানান সাংবাদিক কামরুল হুদা। তিনি আরো জানান, আমি ঈদের সময় ছাড়া বাড়ী-ঘরেও যাই না। কেন আমার বিরুদ্ধে মামলা, আমি কোন রাজনৈতিক দলও করি না, আমি সাংবাদিকতা পেশায় জড়িত। একজন দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার বিরুদ্ধে এত বড় একটা মিথ্যা মামলা। আইনশৃংখলা বাহিনী জানে না কে অপরাধী, কে অপরাধী নয়। মামলা হওয়ার পর নিশ্চয় পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে, তাহলে পুলিশ কি তদন্ত করলো? একজন দেশের গুরত্বপূর্ণ ব্যাক্তির বিরুদ্ধে মামলা হল আট বছর পার তিনি আজ জানতে পারলো। সাংবাদিক কামরুল হুদা জানান, আমরা কি এভাবে মিথ্যা মামলার বেড়াজালে বন্দি হয়ে থাকবো? রাষ্ট্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেমন এ দেশের উন্নয়ন চায়, তেমনি এ দেশের সাংবাদিক সমাজও। সাংবাদিকরা দেশের বাইরে নয়। তাহলে সবার মতো সাংবাদিকদেরও নিরাপত্তা বিধানে রাষ্ট্রকে এগিয়ে আসতে হবে। যারা সাংবাদিকতার মতো মহান পেশাকে ধারণ করে জীবিকা নির্বাহ করছে, তাদের মধ্যে ঐক্যের অভাব আছে এটা কর্মরত সাংবাদিকদের শিকার করতে হবে। হয়তো প্রতিবাদের সময় মানববন্ধন বা সভা-সমাবেশে একসঙ্গে দাঁড়াচ্ছে কিন্তু মনস্তাত্তিকভাবে অনেকেই আন্তরিক নয়। পেশার প্রতি ভালোবাসা না কোনো রকম জীবিকা নির্বাহ যেন তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। কটি মানববন্ধন করে কখনো এ ধরনের ঘটনাকে শেষ ঘটনা হিসেবে দেখা যাবে না। বর্তমানে সাংবাদিকদের মধ্যে একতার অভাব। সবাই ব্যক্তিস্বার্থ, রাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে চিন্তা না করে কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য কাজ করতে হবে। সব শেষে ঐক্য ছাড়া সাংবাদিক সমাজের কোনো বিকল্প নেই।

বর্তমানে এই বিষয়টি নিয়ে চট্টগ্রামে কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে, এ বিষয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের একটাই দাবি অনতিবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে উক্ত মামলা থেকে প্রবীণ সাংবাদিক কামরুল হুদার নামটি বাঁধ দেওয়া হোক সেইসাথে যে এই জঘন্য কাজটি করেছে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য উপরস্থ কর্মকর্তাদের প্রতি দাবি জানাচ্ছে।
এ মামলার বিষয়ে অফিসার ইনচার্জ আনোয়ার হোসেন থেকে জানতে চাইলে তিনি জানান, এই মামলাটি খুঁজে বের করতে হবে, এটাতো ৮ বছর আগের ঘটনা। মামলাগুলোর কি অবস্থা আসামি কারা ছিল যাচাই করা হচ্ছে তাই কলটা দেয়া হয়েছে। ২০১৫ সালের ফাইলগুলো দেখতে হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com