সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২০, ৬.০৬ পিএম
  • ৩২২ বার পড়া হয়েছে

ওয়াশিংটন হেলথ রিসার্চ ইনস্টিটিউটে সোমবার (১৬ মার্চ) কভিড-১৯ এর একটি ভ্যাকসিন প্রয়োগের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বব্যাপী মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ হাজার ৮৫ জনে। বিশ্বের শতাধিক দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৩। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৭৯ হাজার ১১৩ জন।

ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনে এর প্রকোপ কমলেও সংক্রমণ বাড়ছে ইউরোপের দেশগুলোতে। প্রাণহানির সংখ্যা বেড়েই চলেছে। করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্যাকসিন তৈরির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে এখনো এর কোনো প্রতিষেধক এমনকি সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পদ্ধতি বা ওষুধ বাজারে আনতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

৫৫ জন সুস্থ স্বেচ্ছাসেবী এ পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। অবশ্য এ ভ্যাকসিনে স্টেরিলাইজড করোনাভাইরাস নেই। সেই অর্থে কারো ঝুঁকি নেই বলে আশ্বাস দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চূড়ান্ত ফল পেতে ১২ থেকে ১৮ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। এরপরই বুঝা যাবে এটি কতো কার্যকর এবং নিরাপদ।

স্বেচ্ছাসেবীদের কাউকে কাউকে বেশি ডোজের ভ্যাকসিন দেয়া হবে। মূলত কার্যকর ডোজ নির্ধারণের উদ্দেশ্যেই পরীক্ষার সময় ডোজে কমবেশি করা হবে। স্বেচ্ছাসেবীদের প্রত্যেককে দুই ডোজ ভ্যাকসিন দেয়া হবে। দ্বিতীয় ডোজটি দেয়া হবে প্রথমটির একমাস পর।

ভ্যাকসিনটি তৈরি করেছে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট এবং মডার্নার নামে একটি জৈবপ্রযুক্তি কোম্পানি। ভ্যাকসিনটি তৈরি করতে সময় লেগেছে ৪২ দিন।

এ ভ্যাকসিনটি শরীরে প্রবেশ করানোর পর বিশেষ ধরনের একটি নির্দোষ প্রোটিন (স্পাইক প্রোটিন) তৈরি করবে যা শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরির প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করবে। ফলে কেউ করোনাভাইরাসের সংস্পর্শে এলে শরীর দ্রুত তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে পারবে। স্পাইক প্রোটিনই করোনাভাইরাসকে মানবদেহের কোষের সঙ্গে লেগে থাকতে আঁঠার মতো কাজ করে।

প্রথমবারের মতো এ ভ্যাকসিনেই ভাইরাসের মেসেঞ্জার আরএনএ সিকুয়েন্স ব্যবহার করা হয়েছে। এতে কোনো ভাইরাস নেই। ফলে স্বেচ্ছাসেবীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি নেই। তবে এ ভ্যাকসিন মানবস্বাস্থ্যের জন্য কতোটা নিরাপদ তা এখনো বিজ্ঞানীদের কাছে অজানা। এটি শরীরে প্রবেশ করালে কী ধরনের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হবে সেটিও স্পষ্ট নয়। এটি জানতেই মূলত ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করা হয়েছে।সূত্র:বিজনেস ইনসাইডার/বনিকবার্তা/ছবি:এপি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com