সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে হত্যা মামলায় দুই ব্যক্তির মৃত্যুদন্ড

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭.০১ পিএম
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইল জেলায় সখীপুর উপজেলার পলাশতলী মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু হত্যা মামলার রায়ে তার এক সহোদর ভাইসহ দুইজনকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছে আদালত। এছাড়াও, মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুইজনকে ৫০ হাজার করে টাকা জরিমানা করেছে আদালত।
এ হত্যা মামলায় নিহত অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডুর আরেক সহোদর ভাই-সহ তিনব্যক্তিকে বেকুসুর খালাস দিয়েছে আদালত।
আজ বুধবার দুপুরে টাঙ্গাইলের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক বেগম শাহানা হক সিদ্দিকা এ রায় ঘোষনা করেন।
মৃত্যুদন্ড প্রাপ্তরা হলো- সখীপুরের ফুলবাগ গোবরচাকা গ্রামের হাসান আলীর ছেলে ও নিহত অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডুর সহোদর ভাই মিনহাজুর রহমান মিন্টু এবং একই গ্রামের সুর্যদ আলীর ছেলে আব্দুল মালেক শুকুর।
খালাসপ্রাপ্তরা হলো- শমশের আলী, মোহাম্মদ মাসুদ এবং নিহত অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডুর আরেক সহোদর ভাই মোহাম্মদ নান্নু মিয়া।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ মহসিন সিকদার জানান, বিগত ২০১১ সালের ২০ অক্টোবর দুপুরে অধ্যক্ষ জামাল হোসেন ঠান্ডু সখীপুরের পলাশতলী মহাবিদ্যালয় থেকে বাড়ি ফেরার পথে বৈল্লারপুর পৌঁছালে জমি সংক্রান্ত শত্রুতার জের ধরে তার সহোদর ভাই মিনহাজুর রহমান মিন্টুর নেতৃত্বে জামাল হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিন জামাল হোসেনের স্ত্রী পারভীন বেগম বাদি হয়ে স্বামীর সহোদর দুইভাই-সহ পাঁচজনকে আসামীকে করে সখীপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে বিগত ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আইযুব আলী পাঁচজনের নামে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। বিচারক স্বাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে দুইজনকে মৃত্যুদন্ড ও অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তিনজনকে বেকসুর খালাস দেন।
রায় ঘোষণার সময় মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মিনহাজুর রহমান মিন্টু আদালতে উপস্থিত থাকলেও এবং অপর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আব্দুল মালেক শুকুর পলাতক রয়েছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com