সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

বালু উত্তোলনে একটা নীতিমালা করছি : প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৩ জুন, ২০২২, ৫.৫১ পিএম
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

আমরা নদী থেকে বালু ওঠানো বন্ধ করতে চাচ্ছি না। তবে যেখান থেকে ওঠানোর কথা বলছি সেখান থেকেই যেন ওঠানো হয়। এমনটা জানিয়েছেন পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক।

প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বালু উত্তোলনে আমরা একটা নীতিমালা করছি, যা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে আছে। নীতিমালায় আমরা বলেছি, সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বালু উত্তোলন করতে হবে। যাতে জনগণ দেখে। রাতে বালি উত্তোলন যেন না হয়।

সোমবার (১৩ জুন) সচিবালয়ে গণমাধ্যমকেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‘বিএসআরএফ সংলাপ’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএসআরএফের সভাপতি তপন বিশ্বাস। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বিএসআরএফের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হক।

এ সময় তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় বালুমহাল আছে। জেলা প্রশাসন এসব ইজারা দেয়। জেলা প্রশাসনের প্রতি নির্দেশনা আছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে বালুমহাল ঘোষণা করতে হবে। তবে বালি ওঠানো আমরা বন্ধ করতে পারবো না। বালি ওঠানো বন্ধ করলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বন্ধ হবে। বালির দাম বাড়বে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি আমরা যেখান থেকে বলবো সেখান থেকে যেন উত্তোলন করা হয়। কিন্তু অনেকে রাতের আঁধারে নদীর কিনারা থেকে বালু তোলে। যেখান থেকে ওঠায় সেখানে ব্লক থাকে, বাঁধ থাকে। সেখানে যদি লোহা দিয়ে বাঁধ দেওয়া হয়, সেটাও টিকবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এ পর্যন্ত ১৭ হাজার কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করেছি। অতীতে যারা এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, তারা ভাঙন এলাকায় কম গেছেন। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এক একজন ঠিকাদার ৫০ থেকে ৭০টি কাজ নিয়ে বসে আছেন। সে কাজগুলো তারা নির্ধারিত সময়ে শেষ করতে পারছেন না।

তারা ক্ষমতাসীন দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত কিনা জানতে চাইলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমে ১১ জন ঠিকাদার ছিল। এক একজন ডিপিএমে (সরাসরি ক্রয় পদ্ধতি) ৩০০-৪০০ কোটি টাকার কাজ পেতেন।

আমরা একটি কাজও ডিপিএমে দেইনি। আমরা বলেছি এই ১১ জন ঠিকাদার কাজ শেষ না করা পর্যন্ত নতুন করে কোনও কাজ পাবে না। কাজগুলো শেষ করার পর সেই পুরনো ১১ জনকে এখন কাজ দিচ্ছি। এখন নির্দেশনা হচ্ছে একজন ঠিকাদার তিনটির বেশি কাজ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশের নদ-নদীর সংখ্যার ভিন্ন ভিন্ন তথ্য আছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এখনও নদ-নদীর সংখ্যা বের করতে পারিনি। তবে অফিসিয়ালি বাংলাদেশে ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com