সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুর প্রশাসনের উদ্যোগ দুর্গম এলাকায় এম্বুলেন্স।

  • আপডেট সময় সোমবার, ৬ জুন, ২০২২, ১১.৩০ পিএম
  • ১৮২ বার পড়া হয়েছে

অ আ আবীর আকাশঃ মানুষের দোরগোড়ায় সরকারি সেবা পৌঁছে দিতে জেলা-উপজেলা প্রশাসনের ভূমিকা অনস্বীকার্য। কিন্তু সেটি কতটুকু যথাযথভাবে হয়? অধিকাংশ ক্ষেত্রে নিয়মমাফিক দায়িত্ব পালনই সেখানে গুরুত্ব পেয়ে থাকে। তবে অনেক জেলা-উপজেলা প্রশাসনের তৎপরতা উল্লেখ করার মতো।

নিজস্ব তহবিলকে কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে উদ্যোগী হন তাঁরা। যেমন লক্ষ্মীপুরের প্রশাসনের ক্ষেত্রে আমরা দেখতে পেলাম। সেখানকার জেলা প্রশাসন অ্যাম্বুলেন্স–সেবাকে ইউনিয়ন পর্যায়ে পর্যন্ত নিয়ে গেছে। এর জন্য একটি অ্যাপও তৈরি করেছে তারা। প্রয়োজনের মুহূর্তে স্বল্প খরচে তৎক্ষণাৎ অ্যাম্বুলেন্স পেয়ে যাচ্ছেন প্রত্যন্ত গ্রামের মানুষ। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কারণে বেঁচে গেছে অনেক মরণাপন্ন রোগী।

বিভিন্ন প্রতিবেদন জানাচ্ছে, গত বছরের সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া ‘স্বপ্নযাত্রা’ অ্যাপের মাধ্যমে ১০টি অ্যাম্বুলেন্স মানুষকে সেবা দিচ্ছে। গুগল প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করে অ্যাপের মাধ্যমে ফোন দিলে অ্যাম্বুলেন্স মেলে সহজে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তহবিল থেকে ২ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সগুলো কেনা হয়। অ্যাপটি বানাতে জেলা প্রশাসনের ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সগুলোর জন্য ১০ জন চালক নিয়োগ করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদ অ্যাম্বুলেন্সগুলোর তত্ত্বাবধান করছে। অ্যাম্বুলেন্সের চালক ও তেল খরচ রোগী পরিবহনের আয় থেকেই মেটানো হয়। এখন আরও সাতটি অ্যাম্বুলেন্স কেনার প্রক্রিয়া চলছে।

গত ৯ মাসে ‘স্বপ্নযাত্রা’র অ্যাম্বুলেন্স ৩৫৮ জন রোগীকে অল্প ভাড়ায় বিভিন্ন হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছে। প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্স থেকে অর্ধেকের কম খরচে প্রয়োজনে জেলা-উপজেলা এমনকি ঢাকার যেকোনো হাসপাতালে রোগী নিয়ে আসা যাচ্ছে এখন। প্রশাসনের তরফ থেকে এমন সেবা পেয়ে সাধারণ মানুষ খুবই খুশি।

স্বপ্নযাত্রা নামের এ কার্যক্রমের মূল কারিগর জেলা প্রশাসক (ডিসি) মো. আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, গ্রামের মানুষ যেন শহরের সেবা পান। আর মাতৃমৃত্যু ও শিশুমৃত্যুর হার কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া। সেবা কার্যক্রমটি চালু করার পরপরই ব্যাপক সাড়া পাওয়া গেছে। সারা দেশে এ কার্যক্রম ছড়িয়ে দিতে পারলে মৃত্যুহার কমবে। এ উদ্যোগ স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশাবাদী তিনি।

স্বল্প খরচে অ্যাপভিত্তিক এ অ্যাম্বুলেন্স–সেবায় বেশি উপকৃত হচ্ছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। অটোরিকশা বা ইজিবাইকের বদলে অ্যাম্বুলেন্সে করে দ্রুত ও নিরাপদে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে পারছেন তঁারা।

জেলা-উপজেলা প্রশাসনের তহবিলকে গণমানুষের উন্নয়নে ব্যবহারের দারুণ দৃষ্টান্ত বলা যায় এটিকে। আমরা লক্ষ্মীপুরের জেলা ও উপজেলা প্রশাসনকে সাধুবাদ জানাই। অন্যান্য জেলা-উপজেলাতেও এমন কার্যক্রম ছড়িয়ে পড়ুক।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com