সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

নিউইয়র্ক বেকার ভাতা গ্রহণকারীদের আয়ের প্রমাণ চেয়ে লেবার ডিপার্টমেন্টের চিঠি।

  • আপডেট সময় বুধবার, ১ জুন, ২০২২, ১.০৩ এএম
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

মো.সুমন মিয়া /আনা ক্রিস্টিনা মার্টিনস /যুক্তরাষ্ট্র থেকেঃ

করোনাকালে যারা বেকার ভাতা ও ফেডারেল সরকারের প্যান্ডামিক ভাতা নিয়েছেন, তাদের অনেকেই নিউইয়র্ক লেবার ডিপার্টমেন্ট থেকে চিঠি পাচ্ছেন। চিঠিতে বেকার ভাতা ও প্যান্ডামিক ভাতা গ্রহণকারীদের মধ্যে যাদের আয় ডব্লিউতে নয়, তাদেরকে আয়ের প্রমাণ দিতে হবে। এ জন্য তাদেরকে ২০১৯ সালের ইনকামের প্রমাণ হিসেবে ট্যাক্স রিটার্নের কপি, ১০৯৯ থাকলে তার কপি, অফিস লেটার কিংবা আয় প্রমাণ করে এমন নথি লেবার ডিপার্টমেন্টের কাছে পাঠাতে হবে। সেটি মেইলযোগে অথবা ফ্যাক্স করে পাঠাতে হবে। যারা ইতিমধ্যে লেবার ডিপার্টমেন্ট থেকে ইমেইল পেয়েছেন, তাদের সেখানে দেওয়া লিঙ্কে গিয়ে ফরম পূরণ করে নথিপত্র জমা দিতে হবে। নথি জমা দেওয়ার সময়সীমা প্রত্যেকের চিঠিতে উল্লেখ করা আছে। সে অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই জবাব দিতে হবে।
লেবার ডিপার্টমেন্টের চিঠি পেয়েছেন এমন একজন বলেছেন, তাকে আগামী ১ জুনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। সেই হিসেবে তিনি ২০১৯ সালের আয়ের প্রমাণ দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সূত্র জানায়, যদি কেউ কোনো ধরনের নথি বা প্রমাণ জমা দিতে না পারেন, তাহলে তিনি লেবার ডিপার্টমেন্ট এবং প্যান্ডামিক ভাতা হিসেবে ফেডারেল সরকার থেকে যে অর্থ পেয়েছেন, তা জরিমানাসহ ফেরত দিতে হবে।
এ বিষয়ে চিশতি অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ট্যাক্স সার্ভিসেসের সিপিএ মোহম্মদ চিশতি বলেছেন, লেবার ডিপার্টমেন্ট থেকে পাঠানো চিঠির জবাব অবশ্যই দিতে হবে। যারা চিঠির জবাব দেবেন না তাদের বিরুদ্ধে লেবার ডিপার্টমেন্ট ব্যবস্থা নেবে। কারণ যারা ডব্লিউ-২ তে ইনকাম করেন, তাদের আয়ের রিপোর্ট লেবার ডিপার্টমেন্ট সহজেই সংগ্রহ করতে পারে। কিন্তু যারা ১০৯৯ বা ক্যাশে কাজ করেন, তাদের তথ্য লেবার ডিপার্টমেন্টের পক্ষে সংগ্রহ করা কঠিন। এ কারণে তাদেরকে প্রমাণ দিতে হবে যে তারা ২০১৯ সালে কাজ করেছেন এবং তাদের আয় ছিল।
সিপিএ মোহম্মদ চিশতি আরো বলেন, যারা কখনো কাজ করেননি এবং যাদের ২০১৯ সালে কোনো আয় ছিল না, তারা বেকার ভাতা পাওয়ার যোগ্য নন। বেকার ভাতা পাওয়ার নিয়ম হচ্ছে, যারা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ করেছেন এবং প্যান্ডামিকের সময় তাদের অফিস বন্ধ ছিল বা চাকরি হারিয়েছেন কিংবা চাকরির ঘণ্টা কমে গিয়েছিল, তাদেরকে প্যান্ডামিক ভাতা ও বেকার ভাতা দেওয়া হয়। করোনাকালীন যারা প্যান্ডামিক ভাতা ও বেকার ভাতা নিয়েছেন, তাদের সবার নথিপত্র ওই সময়ে চেক করা সম্ভব হয়নি। ফলে অনেকেই বেকার ভাতা ও সরকারি প্রণোদনা পেয়েছেন।
তিনি বলেন, লেবার ডিপার্টমেন্ট কাউকে চিঠি দিলে সেই চিঠির জবাব দিতেই হবে। কারো আয়ের কোনো নথি না থাকলে তিনি আগে যে অফিসে কাজ করতেন, সেই অফিসের চিঠি দিতে হবে। অফিস যদি এখন আর না থাকে, তাহলেও আগের মালিকের কাছ থেকে চিঠি নিয়ে দিতে হবে। কেউ যদি অফিস থেকে চিঠি দিতে রাজি না হন, তাহলে বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করতে হবে। আর যারা ২০১৯ সালে কাজ করেননি কিন্তু ২০২০ সালের শুরুতে কাজ করেছেন, তারা সেটিও দিতে পারেন। আর যাদের সেটিও নেই, তারা যদি কাজের অফার পেয়ে থাকেন, প্যান্ডামিকের জন্য কাজ শুরু করতে পারেননি অথবা ব্যবসা শুরু করতে চেয়েছিলেন, লিজ নিয়েছিলেন, কোম্পানি করেছিলেন, সেসব নথিপত্রও দিতে পারেন। তবে যারা কোনো দিনই কাজ করেননি, তারা প্যান্ডামিক ভাতা কিংবা বেকার ভাতা নিয়ে থাকলে সেটা ঠিক করেননি। তাদেরকে জরিমানাসহ অর্থ ফেরত দিতে হবে। চিশতির মতে, চিঠি পাওয়ার পর কোনো সিপিএ কিংবা আইআরএসের এনরোল এজেন্ট অথবা লেবার আইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে উত্তর দেওয়াই ভালো। চিঠির জবাব দেওয়ার পর তা পর্যালোচনা করে লেবার ডিপার্টমেন্ট পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com