সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

চট্টগ্রামে বসতভিটা বিনা নোটিশে উচ্ছেদ, প্রায় ৫শত মানুষ দিশেহারা।

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২৭ মে, ২০২২, ৩.৩৬ এএম
  • ২০১ বার পড়া হয়েছে

মোঃ শহিদুল ইসলাম,সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টারঃ

সরকার যেখানে ছিন্নমূল নদীভাংগা হতদরিদ্র ভূমিহীন মানুষদের জন্য হাজার হাজার কোটি টাকা বাজেট করে সরকারি অর্থায়নে জায়গাসহ একটি বাড়ি একটি খামার করে দিচ্ছেন, ঠিক সে সময়ে বিনা নোটিশে উচ্ছেদ করা হচ্ছে চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী সেনানিবাস সংলগ্ন মেইন গেইটের পাশে ড্রাইভার কলোনীতে বসবাস করা ৬০টি বসতঘরের প্রায় ৫ শতাধিক ছিন্নমূল মানুষদের।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক এ অভিযানের বিরুদ্ধে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় বায়েজিদ বোস্তামীর প্রধান সড়কে দীর্ঘ দেড় ঘন্টা ধরে মানববন্ধন করা হয়। দেড় ঘন্টার এ মানববন্ধনে শত শত নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করে। এর আগে একটি মিছিল কলোনী থেকে বের করে মহাসড়কে পদক্ষিন করে।

জানা যায়, ১৯৮৮ ও ৯১ এর প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের পর ভিটে বাড়ির শেষ সম্বল্টুলু হারিয়ে প্রায় ৫ শতাধিক মানুষ চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর পরিত্যক্ত সরকারি খাস জমিতে বসবাস শুরু করে। ৬০টি পরিবারের ৫ শত মানুষ দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত পরিত্যক্ত এ জায়গাটিতে বাস্তহারা ও দখলদার হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল।
এখানে বসবাসরত এক ব্যক্তি বলেন, ১৯৮৮ ও ৯১ সালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত আমরা ৫ শতাধিক মানুষ সহায় সম্বল সব হারিয়ে চসিকের এ পরিত্যক্ত জায়গাতে কাঁচা ঘর তৈরী করে আছি। চসিক ভূমি সংরক্ষণ নীতিমালায় চসিকের নিজস্ব ভূমিতে কোন প্রকার লিজ প্রদান করা যায় না। তাই আমরা উক্ত ভূমি লিজের জন্যে চসিক প্রশাসনের নিকট আবেদন করি নাই। সরকারি এ খাস জায়গাটি আমরা খালি করতে আমাদের কোন সমস্যা নেই তবে বিনা নোটিশে এ উচ্ছেদ অভিযান কেন? উচ্ছেদ করলে পরিকল্পনা ছাড়া আমরা কোথায় যাবো? চসিক যদি আমাদের নূন্যতম একমাসের একটি নোটিশ আমাদের বরাবর প্রেরণ করতো তাহলে আমরা অন্যত্র সরে যেতাম।

যদিও জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ শাহ আলীর কথা ভিন্ন। তিনি বলছেন, আমরা জায়গাটি খালি করার জন্য বিগত ৩ বছর আগে ২০১৯ সালে একটি নোটিশ প্রেরণ করেছিলাম। কিন্তু নোটিশ পাওয়ার পরেও তারা জায়গাটি খালি করেনি। এখন এক মাসের নোটিশে তারা জায়গা খালি করবে এর নিশ্চয়তা কী? তবে আমাকে লিখিত অভিযোগ করলে আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেব। তাছাড়া জমিটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এর। তাদের সাথে আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্হা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com