সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

মেয়েকে মানুষ করার জন্য ৩০ বছর ‘বাবা’ সেজে রইলেন বিধবা।

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ২০ মে, ২০২২, ৪.১০ এএম
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

ভারতের তামিলনাড়ুর একটি গ্রামে লোকজনের চোখ এড়িয়ে মেয়েকে বড় করে তুলতে টানা ৩০ বছর ‘পুরুষ’ সেজে থাকতে হয়েছে বিধবা মহিলাকে।

তামিলনাড়ুর প্রত্যন্ত গ্রাম কাট্টুনায়াকানপতি। সেখানকার সমাজ এখনও এতটাই পিছিয়ে যে মেয়েদের, বিশেষত ঘরের বউদের বাইরে চাকরি করতে যাওয়াকে ভাল চোখে দেখে না কেউ। এতে একঘরে হওয়ার ভয়ও রয়েছে। আর সমাজের এই লঘুতার কারণে বেঁচে থাকার অন্য উপায় বেছে নিয়েছেন এস পেটচিয়াম্মাল। ৩০ বছর ধরে ‘পুরুষ’ সেজে রয়েছেন তিনি, একার হাতে সামলেছেন সংসার।

জানা গেছে ওই মহিলার বয়স যখন ২০ বছর, তখনই স্বামীকে হারাতে হয় তাকে।

এরপর একমাত্র কন্যাকে কীভাবে মানুষ করবেন তা ভেবে পাচ্ছিলেন না। কারণ খেটে খাওয়ার উপায় নেই। মেয়ে হয়ে চাকরি করতে বেরোচ্ছেন শুনলেই ক্ষেপে উঠবে গ্রামের লোকজন।

অনেক ভেবে তাই এই উপায় বের করেন পেটচিয়াম্মাল। নিজের স্বামীর ছদ্মবেশ ধরেন তিনি। মেয়ের মা নয়, বাবা হয়ে তাকে মানুষ করার জন্য পরিশ্রম শুরু করেন।

সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, কনস্ট্রাকশন সাইটে ঠিকে কর্মীর কাজ, কখনও বা চায়ের দোকানে মজুরের কাজ জুটেছিল তার। পেট চালাতে অনেকটা কষ্ট করতে হয়েছে। স্বামী মারা যাওয়ার পরেই মন্দিরে গিয়ে চুল কেটে ফেলেছিলেন তিনি। সঙ্গে শার্ট আর লুঙ্গি পরে থাকতেন। তিনি যে আসলে পুরুষ নন, সেই পরিচয় কেবল জানতেন তার আত্মীয়-পরিজন এবং কাছের মানুষরা। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে ১০০ দিনের মজুরের কাজ, কোনও কাজই বাদ দেননি পেটচিয়াম্মাল। যখন যা পেয়েছেন তাই করেছেন। স্বামীর মুথুর নাম নিয়েই আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের মতো সরকারি নথিপত্র তৈরি করেছিলেন তিনি। হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে টাকা জমিয়েছেন কেবল মেয়ের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে।

এখন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। তবে নিজের বেশ বদলাননি পেটচিয়াম্মাল। আমৃত্যু স্বামীর পরিচয়েই বাঁচতে চান তিনি।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com