সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

ময়মনসিংহে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার কর্মচারীদের মানববন্ধন।

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৫ মে, ২০২২, ৯.৪৪ এএম
  • ১৬৭ বার পড়া হয়েছে

আনোয়ারা আক্তার,ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধিঃ পরিপত্র সংশোধন ও চুক্তিপত্র বাতিল করে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার কর্মকর্তাদেরকে ১৯৭২ সালের পর থেকে সরকারি প্রকল্পের নিয়মানুসারে বেতন স্কেল ও রাজস্বখাতে স্থানান্তরের নীতিমালার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনায় ময়মনসিংহে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টা থেকে বেলা একটা পর্যন্ত ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সামনে বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার বিভাগীয় শাখার উদ্যোগে এই মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়। দুই ঘণ্টাব্যাপী কর্মসুচী চলাকালে বক্তব্য রাখেন বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের আহবায়ক শেখ আব্দুল্লাহ আল আমিন, সদস্য সচিব মো. এমদাদুল হক, ময়মনসিংহ জেলা সভাপতি ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার শ্রমিকলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মো. হাসিম উদ্দিন, বিভাগীয় সভাপতি আল আমিন, সাধারণ সম্পাদক মীর মাহবুবুর রহমান হৃদয়সহ জেলা নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা জানান, ২০১০ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে চার হাজার ৫০০ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেন। ইউনিয়ন পরিষদের দাপ্তরিক কাজ করে সেন্টারের কর্মকর্তারা জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। ২০১৬ সালে ইউনিয়ন পরিষদে সরকারিভাবে হিসাব ‘সহকারী কাম-কম্পিউটার অপারেটর’ পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ সম্পন্ন করায় ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের কর্মকর্তারা বেকার হয়ে পড়েন। বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগণ নিজেদের লোক দিয়ে কাজ করায় অনেক সেন্টারের কর্মকর্তারা কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন না।

এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকায় ৮০ থেকে ৯০ ভাগ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এজন্য পরিপত্র সংশোধন ও চুক্তিপত্র বাতিল করে সাড়ে চার হাজার ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার কর্মকর্তাদেরকে ১৯৭২ সালের পর থেকে সরকারি প্রকল্পের নিয়মানুসারে বেতন স্কেল ও রাজস্বখাতে স্থানান্তরের নীতিমালার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com