সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

ঈদের ছুটি কাটাতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের ভিড় বেনাপোল চেকপোষ্টে

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০২২, ৪.১৪ এএম
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

করোনা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর ভারত ভ্রমণে টুরিস্ট ভিসা পুনরায় চালু করা করেছে।  ঈদের ছুটি কাটাতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের উপচে পড়া ভিড় বেনাপোল চেকপোষ্টে। হাজারও বাংলাদেশি যাত্রী বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে প্রবেশ করছে। কেউ বেড়াতে, কেউ চিকিৎসা আবার কেউ যাচ্ছেন আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে। এদের অধিকাংশই তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে যাচ্ছেন।

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার যাত্রী ভারতে প্রবেশ করতো। ২০২০ সালে মার্চ মাসে করোনাভাইরাস ব্যাপক আকার ধারণ করলে দু‘পারের চেকপোস্ট বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে মেডিকেল ও বিজনেস ভিসা চালু করা হলে কিছু লোজজন যাতায়াত করতে থাকে। গত মাসে করোনার সকল নিষোধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ টুরিস্ট ভিসা চালু করায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে যাত্রী পারাপার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে প্রতিদিন পূর্বের ন্যায় আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার পাসপোর্টযাত্রী দু‘দেশের মধ্যে চলাচল করছে।

গত এক সপ্তাহে বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ১৫ হাজার ৩শ’ জন যাত্রী বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে ভারতে গেছেন। আর ভারত থেকে এসেছে ৭ হাজার ২৫৭ জন। লম্বা ছুটি পাওয়ায় বাংলাদেশি যাত্রীদের ভারতে যাওয়ার পরিমান ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানান ইমিগ্রশন কর্মকর্তা। তবে চলাচলে যাত্রীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একজন পাসপোর্টযাত্রীকে নোম্যান্সল্যান্ডে পৌছাতে বেনাপোল চেকপোস্টে ৮ জায়গায় লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। সেগুলি হলো সোনালী ব্যাংক, প্যাসেজ্ঞার টার্মিনাল গেট, কাস্টমস স্ক্যানিং পয়েন্টে, কাস্টমস আনসার গেট, ইমিগ্রেশন ডিপারচার এবং ইমিগ্রেশন চেক আউট গেট। ব্যাংক থেকে ইমিগ্রেশন চেক আউট গেট অর্থাৎ নোম্যান্সল্যান্ড পর্যন্ত একজন যাত্রীকে পৌছাতে সময় লাগছে ৩ থেকে ৪ ঘন্টা।

তাছাড়া ভারতীয় গেটে ধীর গতিতে পাসপোর্ট চেকিং করায় নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই লাইনের মাত্রা আরও বাড়তে থাকে। ঘন্টার পর ঘন্টা খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে এসব পাসপোর্টযাত্রীদের। রোদ, বৃষ্টি আর ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ট হয়ে উঠছে যাত্রীরা। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা ও রোগীদের নিয়ে বিপাকে পড়তে হচ্ছে তাদের।

বেনাপোল চেকপোষ্ট ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাজু জানান, আমাদের ইমিগ্রেশনে যাত্রী আসলে তেমন কোন সময় লাগছে না। ওপারে স্বাস্থ্য বিভাগে অনেক সময় লাগায় বাংলাদেশি যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। প্যাসেজ্ঞার টার্মিনালে যেসব আনসার কর্মরত আছে তাদের নিয়ন্ত্রণ করেন বন্দর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com