সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

নিকারাগুয়ার সাবেক বিদ্রোহী নেতা ‍হুগো টোরেসের কারাগারে মৃত্যু

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২২, ১.০২ পিএম
  • ৫২১ বার পড়া হয়েছে

সাবেক স্যান্ডিনিস্টা গেরিলা নেতা এবং বিরোধী রাজনীতিবিদ হুগো টোরেস ৭৩ বছর বয়সে কারাগারে মারা গেছেন বলে শনিবার তার আত্মীয়রা জানিয়েছেন।

২০২১ সালের ধরপাকড়ে আটক হওয়া বিরোধী নেতাদের একটি বড় দলের মধ্যে টোরেসই প্রথম যিনি মারা গেলেন। কারাগারের পরিবেশের কারণে তার দ্রুত মৃত্যু হয়েছে কি না সে বিষয়টি স্পষ্ট নয়।

টোরেস ১৯৭০–এর দশকের স্যান্ডিনিস্টা বিপ্লবের একজন নেতৃস্থানীয় অধিনায়ক (কমান্ডার) ছিলেন। ২০ বছরেরও বেশি আগে স্যান্ডিনিস্টা সংস্কার আন্দোলনের সন্ধানে তিনি প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল ওরতেগার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেছিলেন।

টোরেস ৪৬ জন বিরোধী ব্যক্তিত্বের মধ্যে অন্যতম এবং প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে একজন ছিলেন। মে ও জুন মাসে ওরতেগা তাদের জেলে পাঠিয়েছিলেন। যাতে ৭ নভেম্বর প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তার পুনর্নির্বাচনের পথ পরিষ্কার হয়।

টোরেসের তিন সন্তান তাদের বাবার মৃত্যুর খবর জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তারা কিছু জানাননি। তারা আরও জানিয়েছেন, তাদের বাবার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রকাশ্যে কোনো অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া বা আচার-অনুষ্ঠান করা হবে না।

টোরেস একজন গেরিলা অধিনায়ক ছিলেন। নিকারাগুয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে ওরতেগার সঙ্গে যুদ্ধ করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি নিকারাগুয়ার সেনাবাহিনীর একজন জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৯ সালে বিদ্রোহীরা জয়লাভ করার পর ১৯৯০–এর দশকে স্যান্ডিনিস্টা পপুলার আর্মিকে নিকারাগুয়ার পেশাদার সেনাবাহিনীতে রূপান্তরের প্রচেষ্টায় তিনি যুক্ত ছিলেন।

তার মৃত্যু ওরতেগার জন্য একটি বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। ১৯৭৪ সালে তৎকালীন স্বৈরশাসক আনাস্তাসিও সোমোজার একজন ঘনিষ্ঠ মিত্রের বাসায় অভিযান চালিয়ে ওরতেগাকে কারাগার থেকে বের করে আনেন টোরেস। এর কয়েক বছর আগে দেশটির রাজধানী মানাগুয়ায় ব্যাংক ডাকাতির একটি ব্যর্থ চেষ্টার কারণে ওরতেগা কারাগারে বন্দী ছিলেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com