সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

মিয়ানমারের দুজন অধিকারকর্মীকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২২, ২.০৫ পিএম
  • ১৭৪ বার পড়া হয়েছে

মিয়ানমারের সামরিক আদালত কথিত সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত থাকার অপরাধে দুজন বিশিষ্ট অধিকারকর্মীর মৃত্যদন্ডের আদেশ দিয়েছে।

শুক্রবার (২১ জানুয়ারি) দেশটির সামরিক টেলিভিশনের এক খবরে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মিয়াওয়াদি টেলিভশনের খবরে বলা হয়, কাউ মিন ইউ যিনি কো জিমি নামে বেশি পরিচিত এবং ফিউ জেওর থাউ যিনি মং খিউ নামেও পরিচিত, দেশটির সন্ত্রাসবাদবিরোধী আইনের আওতায় দণ্ডিত হন। তাদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও বোমা ব্যবহার এবং সন্ত্রাসবাদে আর্থিক সহযগিতা প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গ্রেপ্তারের পর থেকে এই দুজনকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং তাদের পক্ষে কোনো আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়নি। মিন ইউর স্ত্রী নিলার থেইন গত অক্টোবরে তার স্বামীর বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ বানোয়াট বলে দাবি করেন।

রুদ্ধদ্বার সামরিক আদালতে বিচারকার্য পরিচালনা করায় এই রায়ের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা সম্ভব হয়নি।

সমসাময়িক মিয়ানমারে এর আগে কদাচিৎ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো।

গত ফেব্রুয়ারিতে অং সাং সু চির কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নেওয়ার পর সামরিক জান্তা এই দুজন বিশিষ্ট নেতাসহ অনেককে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেছে।

সামরিক সরকার ক্ষমতা দখলের পর দেশজুড়ে সহিংস আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে। জান্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত দেড় হাজারের বেশি বেসামরিক লোক নিহত এবং ১১ হাজার মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছেন।

কিয়াউ মিন ইউ ১৯৮৮ সালের ছাত্র আন্দোলনের নেতা ছিলেন। তখন থেকে কিয়াউ মিন এ পর্যন্ত প্রায় ডজনের বেশিবার জেল খেটেছেন। অক্টোবরে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তার স্ত্রীই প্রথম খবরটি প্রকাশ করেন। তিনি নিজেও এই আন্দলনের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণকারী এবং একাধিকবার জেলও খেটেছেন। ফেব্রুয়ারিতে জান্তা বাহিনীর ক্ষমতা দখলের পর স্বামী–স্ত্রী দুজনেই পালিয়ে ছিলেন এবং ধারণা করা স্ত্রী এখনো পালিয়ে আছেন।

গ্রেপ্তারের দুই সপ্তাহ পর সামরিক জান্তা এক বিবৃতিতে জানায়, কিয়াউ মিন ইউ সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িত ছিলেন এবং তিনি “মুন লাইট অপারেশন” নামে একটি সংগঠন পরিচালনা করেন। সংগঠনটি শহরাঞ্চলে গেরিলা হামলা চালিয়ে থাকে বলে এই বিবৃতিতে জানানো হয়।

অন্যদিকে ফিউ জেয়ার থাউ সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির একজন আইনপ্রনেতা। ২০০৭ সালে রাজনৈতিক আন্দোলন “জেনারেশন ওয়েভে” যোগদানের আগে ফিউ একজন হিপহপ সংগীতশিল্পী ছিলেন।

তাকে গত বছর ১৮ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। সামরিক জান্তা অভিযোগ করে, তাঁর কাছ থেকে অস্ত্র এবং গুলি উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে দেশের সন্ত্রাস দমন আইনে মামলা হয়। নিরাপত্তারক্ষীকে গুলি করার দায়ে আটককৃত আততায়ীদের তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানায় সামরিক সরকার।

ফিউ ইয়াঙ্গুনে একাধিক হামলা পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত বলে সামরিক বাহিনীর একাধিক বিবৃতিতে বলা হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com