সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে সমর্থন অ্যাটকো

  • আপডেট সময় শনিবার, ২ অক্টোবর, ২০২১, ১১.২৭ পিএম
  • ১৭০ বার পড়া হয়েছে

ক্লিন ফিড বা বিজ্ঞাপনশূন্য সম্প্রচার না করায় বিদেশি চ্যানেল বন্ধ করে দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানিয়েছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলের মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)। আজ শনিবার সন্ধ্যায় এক ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিক্রিয়া জানায় সংগঠনটি। অ্যাটকোর জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি মোজাম্মেল বাবু সংগঠনের পক্ষে এ অবস্থান তুলে ধরেন।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব। এর জন্য প্রাযুক্তিক নানা ব্যবস্থা রয়েছে। সরকার আইন মেনেই বর্তমান অবস্থান নিয়েছে। কিন্তু কোনো চ্যানেলের সম্প্রচারে বাধা পড়ুক, তা কোনোভাবেই চাই না। আজকের কোনো বিশ্বনাগরিক তথ্য ও বিনোদন পাওয়া থেকে বঞ্চিত হোক, তা চাই না। সবার স্বার্থ রক্ষা করে সমাধান চাই আমরা।

১ অক্টোবর থেকে দেশে বিজ্ঞাপনসহ কোনো বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার করা যাবে না, সরকার এমন নির্দেশনা আগেই দিয়েছিল। এর ছয় মাস আগে এপ্রিলে একবার সরকার এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল। কিন্তু সেটা পিছিয়ে ১ অক্টোবর করা হয়।

সে প্রসঙ্গ তুলে মোজাম্মেল বাবু বলেন, সরকার কেব্‌ল টিভির নীতিমালা ও বিধি অনুসারে বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞপনশূন্য সম্প্রচার করার জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিল। এতে অপরাগ হলে বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশনা আগেই দিয়ে রেখেছিল। অ্যাটকো সরকারি এ সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানায়। ইতিমধ্যে কেব্‌ল অপারেটরদের পক্ষ থেকে সময় প্রার্থনা করা হয়েছে। সরকার নিজস্ব বিবেচনায় তা করবে।মোজাম্মেল বাবু বলেন, বিশ্বের সব দেশে এ আইন বলবৎ আছে। বাংলাদেশে ২০০৬ সালে এ–সংক্রান্ত আইন হয়েছে। বিধিমালা হয়েছে ২০১০ সালে। বিশ্বের কোনো দেশে বাংলাদেশি চ্যানেল চালু করতে হলে অবশ্যই চ্যানেলকে ক্লিন ফিড বা বিজ্ঞাপনশূন্য হতে হয়। সব দেশ এই আইন কঠোরভাবে মেনে চলে।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, বিশ্বের সব দেশে এ আইন বলবৎ আছে। বাংলাদেশে ২০০৬ সালে এ–সংক্রান্ত আইন হয়েছে। বিধিমালা হয়েছে ২০১০ সালে। বিশ্বের কোনো দেশে বাংলাদেশি চ্যানেল চালু করতে হলে অবশ্যই চ্যানেলকে ক্লিন ফিড বা বিজ্ঞাপনশূন্য হতে হয়। সব দেশ এই আইন কঠোরভাবে মেনে চলে।

বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপনশূন্য না হওয়ায় বাংলাদেশের অন্তত ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয় বলে জানান মোজাম্মেল বাবু। তিনি বলেন, এর মধ্যে ভ্যাট বা অন্যান্য কর হিসেবে সরকারের প্রাপ্য থাকে এক–চতুর্থাংশ বা ৩০০ কোটি টাকা। আর বাকি অর্থ বিজ্ঞাপন হিসেবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেল, পোর্টালের প্রাপ্য। পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে এখন প্রায় কোনো বিদেশি পণ্যের বিজ্ঞাপন পাওয়া সম্ভব হয় না।

এক প্রশ্নের জবাবে মোজাম্মেল বাবু বলেন, প্রযুক্তির প্রয়োগ করেই চ্যানেল ক্লিন ফিড করে সম্প্রচার সম্ভব। এটা আছে। এখন প্রযুক্তির সহায়তা নিতে হবে। আর ক্লিন ফিড করলে সম্প্রচারে কোনো বাধা নেই। থাকবেও না।

মোজাম্মেল বাবু বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কেব্‌ল অপারেটরদের সঙ্গে তাঁদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। সরকার তার আইন প্রয়োগ করেছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে সরকারকে কঠোর হতেই হয়। সব আইন নিয়ে সবাই ঐক্যমত্য হয় না। তারপরও আইন মানতে হয়।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com