সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

আজ গৌরীপুরের শালীহর গণহত্যা দিবস

  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ আগস্ট, ২০২১, ৬.৪৯ পিএম
  • ৩৮৩ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ আজ ২১ আগস্ট শনিবার, শালীহর গণহত্যা দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে ময়মনসিংহের গৌরীপুরের শালীহর গ্রামে পাকবাহিনীর গণহত্যায় ১৪ জন শহীদ হন। সেদিন গণহত্যার পর পাকবাহিনীর ভয়ে শালীহর গ্রামের হিন্দু পরিবারের সদস্যরা প্রথাগত ভাবে শহীদদের মরদেহ সৎকার করতে না পেরে মাটি চাপা দিয়েছিল। এসব স্মৃতি রক্ষনাবেক্ষণের অভাবে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, ১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট পাকবাহিনী একটি বিশেষ ট্রেনে কিশোরগঞ্জ যাওয়ার পথে বিসকা রেলওয়ে স্টেশনে নেমে পড়ে।

এরপর তৎকালীন বিস্কা রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার সলিম উদ্দিন (অবাঙালি) এবং আল বদর কমান্ডার আব্দুল মান্নান ফকিরের নেতৃত্বে উপজেলার হিন্দু অধ্যুষিত শালীহর গ্রামে হানা দিয়ে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও তান্ডব চালায় পাকবাহিনী। গুলি করে হত্যা করে ১জন মুসলমানসহ ১৩ জন হিন্দুকে।

গুলির মুখ থেকে কালেমা পাঠ করে সেদিন প্রাণে বেঁচে যান নগেন্দ্র চৌকিদার। তবে পাক বাহিনী ধরে নিয়ে যায় গ্রামের বাসিন্দা ছাবেদ আলী বেপারীকে। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। সেদিন গ্রামে ঢুকেই পাকবাহিনী প্রথমেই গুলি করে হত্যা করে নিরীহ কৃষক নবর আলীকে। এরপর একে এক মোহিনী মোহন কর, জ্ঞানেন্দ্র মোহন কর, যোগেশ চন্দ্র বিশ্বাস, কিরদা সুন্দরী, শচীন্দ্র চন্দ্র বিশ্বাস, তারিনীকান্ত বিশ্বাস, দেবেন্দ্র চন্দ্র নম দাস, কৈলাস চন্দ্র নম দাস, শত্রুগ্ন নম দাস, রামেন্দ্র চন্দ্র সরকার, অবনী মোহন সরকার, কামিনী কান্ত বিশ্বাস, রায় চরণ বিশ্বাসকে।

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আশুতোষ রায় এবং আবুল হাসিমের উদ্যোগে প্রতিবছর ২১ আগস্ট শালীহর গ্রামে শহীদদের স্মরণ করা হতো।

পরবর্তীতে ২০১০ সালে তৎকালীন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. ক্যাপ্টেন (অব) মজিবুর রহমানের উদ্যোগে শালীহর বধ্যভূমিতে স্মৃতি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়। ২০১৮ সালে জেলা পরিষদ সদস্য এইচএম খায়রুল বাসারের উদ্যোগে স্মৃতিস্তম্ভ সংস্কারের সময় বসানো হয় শহীদদের নামফলক। চলতি বছর গণপূর্ত বিভাগে অধীনে শহীদদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয় কিস্তু স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও শহীদদের পরিবারগুলো ‘শহীদ পরিবার’ হিসাবে স্বীকৃতি পায়নি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম মুহাম্মদ আজাদ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকবাহিনীর গণহত্যায় যারা শহীদ হয়েছেন, যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে ওই শহীদ পরিবারগুলোর চূড়ান্ত তালিকা প্রনয়ন করে সরকারের নিকট স্বীকৃতি দেয়ার দাবি জানান। কারণ স্বীকৃতিটা তাদের প্রাপ্য।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com