সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

হলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটে দেশের ইতিহাসের সব থেকে বড় জঙ্গি হামলা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১, ১০.০৩ এএম
  • ২৫৪ বার পড়া হয়েছে

২০১৬ সালের ১ জুলাই গুলশান-২ এর লেক পাড়ের হলি আর্টিজান বেকারিতে ঘটে দেশের ইতিহাসের সব থেকে বড় জঙ্গি হামলা। নারকীয় এই হত্যাযজ্ঞে দুই পুলিশ কর্মকর্তা ও ১৭ জন বিদেশি নাগরিকসহ নিহত হন ২২ জন। সেই দিন রাত ৮টা ৫০মিনিট থেকে ১২ ঘণ্টা রুদ্ধশ্বাস এক জঙ্গি হামলার ভয়াবহতার সাক্ষী হয়েছিল গোটা জাতি। ২ জুলাই সকালে সেনাবাহিনীর প্যারা কমান্ডো সদস্যদের পরিচালিত ‘অপারেশন থান্ডারবোল্টে’ অবসান হয় জিম্মিদশার, নিহত হয় হামলাকারী ৫ জঙ্গি।

অভিযানে নিহত জঙ্গিরা হলেন : মালয়েশিয়ার মোনাশ ইউনিভার্সিটির ছাত্র নিবরাস ইসলাম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, স্কলাসটিকার সাবেক ছাত্র মীর সামিহ মোবাশ্বের, বগুড়ার বিগিগ্রাম ডিইউ সেন্ট্রাল ফাজিল মাদরাসার সাবেক ছাত্র খায়রুল ইসলাম পায়েল, বগুড়ার সরকারি আযিযুল হক কলেজের ছাত্র শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল।

হলি আর্টিজান জঙ্গি হামলার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। তদন্ত সূত্রে জানা যায়, কোনো ধরনের বিদেশি সহায়তা ছাড়াই হোম গ্রোন জঙ্গিরা এই নারকীয় হত্যাকাণ্ড চালায়। ‘নব্য জেএমবি’ সদস্যরা দেশে উগ্রবাদী শাসন ব্যবস্থা কায়েম করার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা অংশ হিসবে এ হামলা চালায়।

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, হলি আর্টিজান হামলার প্রথম ২০ মিনিটেই নৃশংস হত্যাযজ্ঞ চালায় জঙ্গিরা। তারা দেশি-বিদেশিদের গুলি করে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে/গলাকেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে। হত্যার পর ছবি তুলে অ্যাপের মাধ্যমে বাইরে অবস্থানরত নব্য জেএমবির নেতা তামিম চৌধুরী ও মারজানের কাছে পাঠায় তারা।

যদিও হলি আর্টিজান হামলার পর দেশ থেকে জঙ্গিবাদ ও উগ্রবাদকে নির্মূল করতে এক যোগে অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট। এসব অভিযানে দেশে পরিচালিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের অনেক সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ও বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘ দিনের অভিযানের ফসল হিসবে দেশে জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

তবে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন অনলাইন প্লাটফর্ম ব্যবহার করে মাঝে মধ্যেই মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কড়া নজরদারি এবং গ্রেফতার অভিযানের কারণে এতে সফল হয়ে উঠতে পারছে না জঙ্গি সংগঠনগুলো।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, দীর্ঘ দিনের অভিযানের ফলে জঙ্গি সংগঠনগুলোর কোমর ভেঙে গেছে। তাদের পক্ষে দেশে বড় কোনো জঙ্গি হামলার ঘটানোর সামর্থ্য এখন আর নেই। তবে এতে তুষ্ট না হয়ে জঙ্গি সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিট।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com