সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

বরগুনার আমতলীতে তহশিল অফিস বাউন্ডারীতে অবৈধ ঘর নির্মাণ

  • আপডেট সময় শনিবার, ১ মে, ২০২১, ৭.৩৬ পিএম
  • ৬৩৫ বার পড়া হয়েছে

বরগুনার আমতলীতে তহশিল অফিস বাউন্ডারীতে অবৈধ ঘর নির্মাণ মল্লিক মোঃ জামাল বরগুনা প্রতিনিধি। বরগুনার আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নে তহশিল অফিস বাউন্ডারির খাস জমিতে অবৈধভাবে বন্দোবস্ত নিয়ে ঘর নির্মাণ করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, ২০০০ সালে উপজেলার ভূমি অফিসের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী আবদুর রশিদ ও তার স্ত্রী মোসাঃ রাশিদা বেগমের নামে গুলিশাখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের (তহশিল অফিস) প্রাচীরে ৫ শতাংশ অকৃষি খাসজমি ৭৭ আম/১৯৯৯-২০০০নং অবৈধ বন্দোবস্তমূলে প্রাপ্ত হয়ে বসবাস করতে থাকে।

বন্দোবস্ত পাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোন ডিসিআর নবায়ন করা হয় নাই। রাশিদা বেগম তাদের দখলকৃত ৫ শতাংশ জমি জনৈকা মনোয়ারা বেগমের কাছে বিক্রি করে দেয়। এরপর মনোয়ারা বেগম রাশিদাকে দিয়ে ২৩ মার্চ ২০২০ তারিখ আমতলী উপজেলা ভূমি অফিসে ডিসিআর নবায়নের জন্য আবেদন করেন। ভূমি অফিসের নির্দেশে তহশিলদার দেলোয়ার হোসেন ৩০ মে ২০২০ তদন্ত রিপোর্ট দাখিল করেন।

রিপোর্টে তিনি বলেন, ৫ শতাংশ অকৃষি খাস জমি ৭৭ আম/১৯৯৯-২০০০নং বন্দোবস্ত কেসটি অবৈধ ও জমি তহশিল অফিস বাউন্ডারির অন্তর্ভুক্ত বলে ডিসিআর নবায়ণযোগ্য নয়। কিন্তু তা সত্তে¡ও মনোয়ারা বেগম অবৈধভাবে তহশিল অফিস বাউন্ডারীর খাস জমিতে টিনের ঘর নির্মাণ করছেন।

তহশিলদার দেলোয়ার হোসেন বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরেজমিনে এসে ঘর উত্তোলন করতে নিষেধ করে গেছেন। তারপরও তারা কোন খুঁটির জোরে ঘর তুলছেন, তা আমার জানা নাই। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসাদুজ্জামান বলেন, আমি তাদেরকে সরকারি জায়গা থেকে চলে যেতে বলেছি। ওরা ওদের একটি প্রতিবন্ধী ছেলের দোহাই দিয়ে থাকছে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com