সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

বরগুনায় শিক্ষক স্বামীকে খুন : আট মাস পর হত্যারহস্য উদঘাটন

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২১, ৯.১৫ পিএম
  • ২৮৩ বার পড়া হয়েছে

মল্লিক মো.জামাল,বরগুনা প্রতিনিধিঃ বরগুনায় এক শিক্ষককে হত্যা করে হৃদরোগে মারা গেছেন বলে চালিয়ে দিয়েছেন স্ত্রী । তবে দুর্বার টুয়েন্টিফোরের অনুসন্ধানে বেড়িয়ে এলো হত্যারহস্য।

হাসতে হাসতে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা করে নির্মমভাবে ওই শিক্ষককে হত্যা করেছে স্ত্রী ও তার প্রেমিক। হত্যার পরে স্বামী হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে তাড়িঘরি করে মৃতদেহ দাফন করে দিয়ে হত্যার মিশন সফল করে সবাইকে বোকা বানায় তারা। এ ঘটনায় হয়নি কোনো মামলাও।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত বছরের মে মাস থেকে বরগুনা সদর উপজেলার গোলবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক নাসির হাওলাদারকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। ২৩ মে রাতে স্বামীকে খাবারের সাথে রাত ৮টায় ঘুমের ঔষুধ মিশিয়ে অজ্ঞান করে স্ত্রী মিতু।

রাত ১১টার পরে রাজুকে ফোন করে বাসায় আসতে বলে মিতু। রাত ১১টা ৪০ এর পরে ওই শিক্ষকের বাসায় এসে হাত-পা বেঁধে পায়ের উপরে উঠে বসে রাজু। স্ত্রী মিতু স্বামীর বুকের উপরে উঠে কম্বল দিয়ে শ্বাষরোধ করে হত্যার চেষ্টা করলে প্রাণ ভিক্ষা চান ওই শিক্ষক। টানা দু’ঘন্টা দন্তাদস্তির এক পর্যায়ে নিস্তেজ হয়ে যায় নাসিরের দেহ। পরদিন সকালে তরিগড়ি করে লাশ  দাফন করা হয়।

এর আগেও বেশ কয়েকবার ওই স্কুল শিক্ষককে হত্যার চেষ্টা করে তার স্ত্রী মিতু আক্তার।

এলাকাবাসীরা জানায়, ওদিন ছিল শেষ রমজান। সেহরীর কিছুক্ষন আগে নাসির স্যারের বাড়িতে কান্নাকাটির আওয়াজ পেয়ে আমরা সেখানে ছুটে যাই। গিয়ে দেখি ঘরের দরজা খোলা এবং মিতু ও তার মেয়ে নুসরাত কান্নাকাটি করছে। এসময় নাসির স্যারের মুখে রক্ত দেখেছি আমরা।

স্কুল শিক্ষক নাসিরের বড়ভাই আবদুল জলিল জানান, আমার ভাই অত্যান্ত নরম মানুষ ছিল। এলাকার সবার সাথে তার ভালো সম্পর্ক ছিল। তার স্ত্রী মিতু ছিল মাদকাসক্ত। আমাদের কাউকে সে সহ্য করতে পারত না। যারা আমার ভাইকে নির্মমভাবে হত্যা করেছে তাদের বিচার চাই আমরা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com