সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

নবোদয় হাউজিংয়ের শিশু সামিউল হত্যা মামলায় ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড

  • আপডেট সময় রবিবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২০, ২.৩৭ পিএম
  • ২৮৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর আদাবরের নবোদয় হাউজিংয়ে শিশু খন্দকার সামিউল আজিম ওয়াফি (৫) হত্যা মামলায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাঁদের পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।ঢাকার-৪ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম আজ রোববার এ দণ্ডাদেশ দেন।

মৃত্যুদণ্ডাদেশ পাওয়া দুই আসামি হলেন সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা ও তাঁর কথিত প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৪৩)। দুজনই পলাতক রয়েছেন। আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) ফারুক উজ্জামান ভূঁইয়া (টিপু) এসব তথ্য জানিয়েছেন।রায়ে দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।ফারুক উজ্জামান ভূঁইয়া জানান, এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর এই মামলার রায় ঘোষণার তারিখ রাখা হয়েছিল। কিন্তু রায় লেখা সম্পন্ন না হওয়ায় তারিখ পিছিয়ে দেওয়া হয়।মামলাটিতে শিশু সামিউলের মা এশা জামিনে ছিলেন।

গত ২৩ নভেম্বর তিনি আদালতে হাজির হননি। আদালত জামিন বাতিল করে তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।সামিউল হত্যা মামলার আসামিরা হলেন শিশু সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা এশা ও প্রেমিক শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কু (৪৩)। এর মধ্যে সামিউলের মা আয়েশা হুমায়রা জামিনে ছিলেন। গত ২৩ নভেম্বর আদালতে হাজির না হওয়ায় তাঁর জামিন বাতিল করা হয়েছে। অপরদিকে প্রেমিক শামসুজ্জামান গ্রেপ্তারের পর হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে পলাতক রয়েছেন।মামলার নথি থেকে জানা গেছে, শামসুজ্জামান আরিফ ওরফে বাক্কুর সঙ্গে সামিউলের মায়ের অনৈতিক কোনো ঘটনা দেখে ফেলায় ২০১০ সালের ২৩ জুন শিশু সামিউলকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। এরপর লাশ গুম করতে ফ্রিজে ঢোকানো হয়।

পরে লাশটি বস্তায় ঢুকিয়ে ওই বছরের ২৪ জুন রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয়। সেদিন আদাবরের নবোদয় হাউজিং এলাকা থেকে সামিউলের লাশ বস্তাবন্দি অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।নিহত সামিউল রাজধানীর মোহাম্মদপুর নবোদয় হাউজিংয়ের গ্রিনউড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ইংরেজি মাধ্যমে প্লে শ্রেণির ছাত্র ছিল।এ ঘটনায় নিহত শিশু সামিউলের বাবা কে এ আজম বাদী হয়ে ওই দিনই আদাবর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

গ্রেপ্তারের পর আসামি আয়েশা ও শামসুজ্জামান হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহান হক ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর দুজনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

মামলাটির বিচার চলাকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আদাবর থানার ওসি কাজী শাহান হক ২০১২ সালের ২৫ অক্টোবর এশা ও বাক্কুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে। মামলাটির বিচার চলাকালে আদালত ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com