সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ার নন্দীগ্রামে নবান্ন উপলক্ষে বসেছে মাছের মেলা

  • আপডেট সময় সোমবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৯, ৫.২৯ পিএম
  • ৭১৩ বার পড়া হয়েছে

নবান্নে পায়েস পিঠা-পুলি গ্রাম বাঙলার ঐতিহ্যবাহী। গ্রামে নতুন ধান কাট মাড়ায়ে দারুন ব্যাস্ত কৃষক-কৃষাণীরা। পিঠ,পুলি ,পায়েসের মধ্যে থেমে নেই নবান্ন। নবান্নকে সামনে রেখে জেলার নন্দীগ্রামে বসেছে মাছের মেলা । নতুন চালের ভাতের সাথে মাছে খাওয়ার রেওয়াজ জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলায়। মেয়ে-জামাই ও অন্যান্য আতীয় স্বজনদের বাড়িতে নিয়ে এসে বাহারি পিঠা-পায়েসসহ নানা রকমের সুস্বাদু খাবার পরিবেশন করা হয়ে থাকে। এ উৎসবকে ঘিরেই প্রতিবছর মাছের মেলা বসে উপজেলার বিভিন্ন বাজারে।
উপজেলার রণবাঘা ও ওমরপুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, সারি সারি মাছের দোকান। সেখানে থরে থরে সাজানো রুই, কাতলা, মৃগেল, চিতল, সিলভার কার্প, বিগহেড, বাঘা আইড়, বোয়ালসহ হরেক রকমের মাছ। এক কেজি থেকে শুরু করে ১৪ কেজি ওজনের মাছ আছে। লোকজনও ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে কিনছেন এসব মাছ। কোন কোন মাছ বিক্রেতারা বিশালাকৃতির মাছগুলো মাথার ওপর তুলেধরে ক্রেতাদের আকর্ষণের চেষ্টা করছে।
উপজেলার নামুইট গ্রামের মাছ বিক্রেতা ছমির উদ্দিন বলেন, নবান্ন উৎসবকে ঘিরে অনেকে বাড়ির আশপাশের পুকুরে মাছ চাষ করে। বড় বড় মাছ নবান্ন বাজারে বিক্রি করতে আনেন। তাঁরা ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতাকে চিন্তা করে মাছের দাম কম রাখেন।
মাছ বিক্রেতা আব্দুর রহমান বলেন , মাছের আকার ভেদে এক একটি মাছ ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে ২০০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে সিলভার কার্প। রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা, চিতল ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা ও বোয়াল ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
উপজেলার দাসগ্রাম গ্রামের মাছ ক্রেতা বাদল জানান, তিনি রুই মাছ কিনেছেন ৪৮০ টাকা কেজি, ও চিতল ৯০০ টাকা কেজি দরে কিনেছেন। মোট ৯৫০০ টাকার মাছ কিনেছেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com