সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যেতে পারে

  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২০, ১২.৪০ এএম
  • ২৯৭ বার পড়া হয়েছে

দ্রুত ভ্যাকসিন বের না হলে দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে যেতে পারে। একদল আন্তর্জাতিক সমীক্ষক ৬৪টি দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ মানুষের উপর সমীক্ষা চালিয়ে এ ব্যাপারে একমত হয়েছেন।

 যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির গবেষকদের ধারণা এই অঞ্চলে সবচাইতে বেশি আক্রান্ত হবে ভারত। এরপরে রয়েছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। সমীক্ষা বলছে ২০২১ এর মার্চ থেকে মে মাসের মধ্যে ভারতে দিনে দুই লাখ ৮৪ হাজার মানুষ করোনায় আক্রান্ত হতে পারেন। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে ঠিক কতজন মানুষ আক্রান্ত হবেন সেটা স্পষ্ট করা হয়নি।

সমীক্ষকদের ধারণা উদ্বেগের কারণ হচ্ছে সংক্রমণের গতি প্রকৃতি। এই মুহূর্তে সংক্রমণের যে গতি প্রকৃতি তা দেখে ধারণা করা যায় বেশি সংখ্যক মানুষ সংক্রমিত হবেন। গবেষণায় সংক্রমণের গতি বেসামাল হওয়ার পেছনে বেশ কিছু কারণ তারা নির্ণয় করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে এসব দেশে প্রাথমিক পর্যায়ে হেলাফেলা করা, টেস্ট কম করা। সমীক্ষকদের মতে সংক্রমণের বর্তমান প্রবণতা অনুযায়ী আগামী সেপ্টেম্বর অক্টোবরে হঠাৎ করেই সংক্রমণ বেড়ে যাবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মনে করে করোনাকে এখনও নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব। তবে অবশ্যই টেস্টের মাত্রা বাড়াতে হবে। যেখানে সংক্রমণ বেশি সেখানে বেশি মাত্রায় টেস্ট করতে হবে।

এই যখন অবস্থা তখন বাংলাদেশের পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিচ্ছে। একদিকে সংক্রমণ বাড়ছে, অন্যদিকে টেস্টের হার কমিয়ে দেয়া হয়েছে। উপরন্তু টেস্টের ফিও নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে মানুষজন আস্থা হারাচ্ছে স্বাস্থ্য সেবার ওপর। হাসপাতালগুলোতে হাজার হাজার বেড খালি থাকছে। অনেকেই হাসপাতালে যাওয়ার থেকে বাড়িতে থাকাটাকেই বেশি পছন্দ করছেন। বর্তমানে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য ছয় হাজার ৩০৫টি বেড রয়েছে। এর মধ্যে খালি রয়েছে চার হাজার ৭৫০ টি।

জাতিসংঘের তরফে পরিচালিত এক জরীপে দেখা যায় শতকরা ৪৪ ভাগ মানুষ সরকারি সেবার হেল্প লাইনে ফোন করতেই রীতিমত ভয় পান। বাংলাদেশ হেলথ রাইটস মুভমেন্টের প্রধান রশিদ-ই-মাহবুবের মতে সরকারি হাসপাতালগুলো রোগী বান্ধব নয়। এজন্য এই নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে।

ওদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ৩০ জন। আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ৬৮৬ জন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com