শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৩৩২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ৪০ ভবঘুরে ও ভিক্ষুককে আটক করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাঁশখালীতে ৪২০ পরিবার পেল নগদ সহায়তা নেছারাবাদে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছারছীনা দরবারের বিশাল আনন্দ মিছিল১১

৪০তম বিসিএস থেকে কোটা পদ্ধতি আর থাকছে না

  • আপডেট সময় বুধবার, ১ জুলাই, ২০২০, ৮.০০ পিএম
  • ২৯৪ বার পড়া হয়েছে

৪০তম বিসিএস থেকে কোটা পদ্ধতি আর থাকছে না  বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন।

পিএসসি চেয়ারম্যান বলেন, ‘কোটা বাতিলের আগেই এ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। এজন্য কোটা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে। তবে ৪০তম বিসিএস থেকে আর কোটা থাকবে না।

২০১৭ সালের ২০ জুন ৩৮তম বিসিএসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে চিকিৎসক নিয়োগের জন্য ৩৯তম বিসিএসে কোনো কোটা ছিল না বলে উল্লেখ করেন মোহাম্মদ সাদিক। তিনি বলেন, ‘৪০তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সময় বলা হয়েছিল, ফলাফল দেওয়ার সময় সরকারের সর্বশেষ কোটা নীতি ব্যবহার করা হবে।’

২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় মন্ত্রিসভা। এর পরের দিন বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করে পরিপত্র জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

এর আগে বিসিএস ছাড়াও সরকারি চাকরিতে নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারী ১০ শতাংশ, জেলা ১০ শতাংশ, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পাঁচ শতাংশ, প্রতিবন্ধী এক শতাংশসহ মোট ৫৬ শতাংশ পদ বিভিন্ন কোটার জন্য সংরক্ষিত ছিল।

২০১৮ সালের জানুয়ারিতে কোটা আন্দোলনের পর সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি পর্যালোচনা করতে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলমের নেতৃত্বে ২০১৮ সালের ২ জুন একটি কমিটি করে দেয় সরকার। এরপরে সরকারি চাকরির নবম থেকে ত্রয়োদশ গ্রেড পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে) কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কাছে সুপারিশ জমা দেওয়া হয়।

পরবর্তী সময়ে, ২০ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের পর সরকারি চাকরিতে অষ্টম থেকে তার ওপরে অর্থাৎ প্রথম গ্রেড পর্যন্ত (প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণি) নিয়োগের ক্ষেত্রে কোটা বাতিল করে মন্ত্রিসভা।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com