মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৪ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে সৌহার্দ্য ফার্মেসিতে চুরি হওয়া  ১৭ লাখ টাকার ওষুধ উদ্ধার হয়েছে গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতার ৪  হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৮১ লিটার বিদেশি মদ জব্দ

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬ জারি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে

  • আপডেট সময় বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ৮.০১ পিএম
  • ১৪৬ বার পড়া হয়েছে

প্রাথমিক শিক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নীতিমালা ২০২৬’ জারি করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এখন থেকে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা মোট ৪০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এই নীতিমালা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। ২০২৬ সাল থেকে এই নীতিমালার আলোকে সব কার্যক্রম পরিচালিত হবে, তবে বিশেষ ব্যবস্থায় ২০২৫ সালের পরীক্ষাও এই নিয়মেই অনুষ্ঠিত হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের চতুর্থ শ্রেণির সামষ্টিক মূল্যায়নের ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ শিক্ষার্থী এই পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য এই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। তবে বেসরকারি বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে এনসিটিবি’র পাঠ্যক্রম অনুসরণ এবং ‘আইপিইএমআইএস’ সিস্টেমে সক্রিয় থাকা জরুরি।

নতুন নীতিমালায় মোট নম্বর রাখা হয়েছে ৪০০। এর মধ্যে চারটি বিষয়ে ১০০ নম্বর করে বরাদ্দ থাকবে। এগুলো হলো, বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এবং প্রাথমিক বিজ্ঞান (সমন্বিত)।

প্রতিটি বিষয়ের পরীক্ষার জন্য সময় বরাদ্দ থাকবে ২ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। তবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন পরীক্ষার্থীরা অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় পাবেন। বৃত্তির যোগ্য হতে হলে প্রতিটি বিষয়ে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর পেতে হবে।

দুই ধরনের বৃত্তি প্রদান করা হবে— ট্যালেন্টপুল ও সাধারণ। উভয় ক্ষেত্রেই ছাত্র ও ছাত্রীর সংখ্যা হবে সমান (৫০ শতাংশ করে)। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এবং ২০ শতাংশ বেসরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

ট্যালেন্টপুল বৃত্তি উপজেলা বা থানা ভিত্তিক মেধার ক্রমানুসারে দেওয়া হবে। সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে ইউনিয়ন বা ওয়ার্ডকে ইউনিট ধরে প্রতিটিতে দুইজন ছাত্র, দুইজন ছাত্রী এবং একজন মেধা কোটাসহ মোট ৫টি বৃত্তি দেওয়া হবে।

পরীক্ষা পরিচালনার জন্য জাতীয় পর্যায়ে একটি স্টিয়ারিং কমিটি থাকবে, যার উপদেষ্টা থাকবেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী এবং সভাপতি থাকবেন সচিব। জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসক (ডিসি) এবং উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কমিটির নেতৃত্ব দেবেন। কোনো অনিয়ম বা অবহেলার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে।

এই নীতিমালা জারির ফলে ২০০৮ সালের পূর্ববর্তী সকল প্রাথমিক শিক্ষা বৃত্তি নীতিমালা রহিত বলে গণ্য হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com