তিনি বলেন, তারা নির্বাচন কমিশন নিয়ে আবারও প্রশ্ন তুলেছেন। আইনের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। সার্চ কমিটির নিকট অন্যান্য রাজনৈতিক দল নাম জমা দিলেও বিএনপি নাম জমা দেয় নি। কিন্তু ড. জাফরুল্লাহ সার্চ কমিটির নিকট নাম জমা দিয়েছেন। তিনি বিএনপি’র নিকট প্রশ্ন রাখেন ড. জাফরুল্লাহ কি আপনাদের সাথে আলাপ আলোচনা না করেই নাম জমা দিয়েছেন। তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা করছে বলে মন্তব্য করেছেন।
খায়রুজ্জামান লিটন বলেন,বিএনপি যতই পায়তারা করুক না কেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা আবারও নির্বাচনে যাবো এবং আওয়ামীলীগ আবারও ক্ষমতায় আসবে। বিএনপি নির্বাচনে না আসলে আমাদের কোন যায় আসে না। জনগন নির্বাচনের রায় দিবে।
লিটন বলেন, আমেরিকার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার বাংলাদেশকে তলাবিহিন ঝুড়ি আখ্যায়িত দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের অভুতপূর্ব অগ্রযাত্রার কারনে সেই হেনরি কিসিঞ্জার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্নতা অর্জনের ফলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফাওয়ের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত করেছেন।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারনে এখন বাংলাদেশের আপামর মানুষ চরম আরাম আয়েশে দিন যাপন করছেন। আজ থেকে ১৫ বছর আগেও এ দেশের মানুষ একবেলা পেট ভরে ভাত খেতে পারতেন না। এক সময় সারের জন্য এদেশের মানুষকে প্রান দিতে হলেও বর্তমান সরকার কৃষি ও কৃষকদের উন্নয়নে ব্যপক ভুমিকা রেখে চলেছে। কৃষকদের বিনামুল্যে সার, বীজ ও কীটনাশক সরবরাহ অব্যহত রেখেছে। এরই ফলশ্রুতিতেই বাংলাদেশ খাদ্যে স্বংসম্পূর্নতা অর্জন করেছে। মানুষের আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ঘটেছে। এই অর্জনের কৃতিত্ব বর্তমান সরকারের।
সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, শহিদুজ্জামান সরকার এমপি, ব্যারিস্টার নিজাম উদ্দিন জলিল জন এমপি, ছলিম উদ্দিন তরফদার এমপি, আনোয়ার হোসেন হেলাল এমপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের স্বাস্থ ও জনসেবা বিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানাসহ জেলা আওয়ামীলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরা এসময় বক্তব্য রাখেন।
পরে দ্বিতীয় অধিবেশনে মাহবুবুল হক কমলকে সভাপতি ও রেজাউল করিমকে সাধারন সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষনা করা হয়।#