শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:১৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৩৩২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ৪০ ভবঘুরে ও ভিক্ষুককে আটক করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাঁশখালীতে ৪২০ পরিবার পেল নগদ সহায়তা নেছারাবাদে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছারছীনা দরবারের বিশাল আনন্দ মিছিল১১

সামরিক অভিধান’ থেকে ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • আপডেট সময় সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ৮.২৩ পিএম
  • ৪৩০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘সামরিক অভিধান’ থেকে ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, এটা দেশ ও সশস্ত্র বাহিনীর কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না।
তিনি আর্মড ফোর্সেস সিলেকশন বোর্ড মিটিং ২০২০-এ একথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘মার্শাল ল’ রক্তপাত ছাড়া দেশ ও সশস্ত্র বাহিনীর কোন কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। তাই, ‘সামরিক অভিধান’ থেকে আমাদের ‘মার্শাল ল’ শব্দটি বাদ দেয়া উচিৎ।
জিয়াউর রহমানের সামরিক শাসন আমলের ১৯টি ক্যু-এর কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই সময়ে বহু সামরিক কর্মকর্তা ও সৈনিককে হত্যা করা হয়।
তিনি আরো বলেন, ‘সামরিক স্বৈরশাসক জিয়াউর রহমানের আমলে সশস্ত্র বাহিনীর এতো বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তা ও সৈন্যকে হত্যা করা হয়েছে যে যুদ্ধেও এতো বিপুল সংখ্যক সৈন্য নিহত হয়নি। আমরা (সশস্ত্র বাহিনীতে) আর কোন ছেলে হারা পিতা বা পিতা হারা ছেলের কান্না শুনতে চাই না।
প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়াল বৈঠকে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট হত্যাকা-ের পর একের পর এক ক্যুয়ের কারণে সশস্ত্র বাহিনী সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
শেখ হাসিনা বলেন, এই সব ক্যু-এর নামে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণকারী সশস্ত্র বাহিনীর অনেক সদস্যকে বর্বরোচিতভাবে হত্যা করা হয়।
তিনি বলেন, ‘সেনা ও বিমান বাহিনীতে সবচেয়ে বেশি রক্তপাত হয় এবং আমাদেরকে বহু স্বামী হারা বিধবা ও পুত্র হারা বাবা-মায়ের কান্না শুনতে হয়েছে।’
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও একে সময়োপযোগী করে গড়ে তোলা তাঁর সরকারের লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী পুনর্ব্যক্ত করেন।
তিনি আরো বলেন, আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আমাদের পরিবারের সম্মানিত সদস্য। তারা আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই বাহিনীকে আরো আধুনিক ও সময়োপযোগী হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য এবং এই লক্ষ্যকে সামরে রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি।
এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন। তাঁর সরকার দেশের সুরক্ষা ও কষ্টার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সশস্ত্র বহিনীকে আরো সুসজ্জিত করার লক্ষে কাজ করে যাচ্ছে।
এ সময় গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লে. জে. মাহফুজুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম উপস্থিত ছিলেন।

চিফ অব নেভাল স্টাফ অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ শাহীন ইকবাল নৌবাহিনীর সদরদপ্তর থেকে এবং চিফ অব এয়ার স্টাফ এয়ার চিফ মার্শাল মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত বিমান বাহিনীর সদরদপ্তর থেকে অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com