শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৩৩২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ৪০ ভবঘুরে ও ভিক্ষুককে আটক করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাঁশখালীতে ৪২০ পরিবার পেল নগদ সহায়তা নেছারাবাদে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছারছীনা দরবারের বিশাল আনন্দ মিছিল১১

দুই ভাই হত্যার অভিযোগে চট্টগ্রামে ওসি প্রদীপসহ ৫ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১.১৬ পিএম
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত অফিসার ইনসার্জ (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৫ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামের একটি আদালতে মামলা করা হয়েছে।
চট্টগ্রামের চন্দনাইশ থেকে আমানুল ইসলাম ফারুক ও আজাদুল ইসলাম আজাদ নামের দুই ভাইকে ধরে নিয়ে টেকনাফে ক্রসফায়ারে হত্যার অভিযোগে এ মামলা করা হয়।
নিহতদের বোন জিনাত সুলতানা শাহীন বাদি হয়ে বুধবার চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিট্রেট কামরুন নাহার রুমির আদালতে মামলাটি দায়ের করেন ।

পরে আদালত মামলাটি গ্রহণ করে জেলা পুলিশের এডিশনাল এসপিকে (আনোয়ারা সার্কেল) আগামি ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের আইনি সহায়তায় বাদি এই মামলাটি করেন ।
মামলার আসামিরা হলেন, টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ (৪৫), এসআই ইফতেখারুল ইসলাম (৩৮), কনস্টেবল মাজহারুল (৩৬), দীন ইসলাম (৩৪) ও আমজাদ (৩৫)।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদির আইনজীবী জিয়া হাবীব আহসান জানান, আট লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে বাদির দুই ভাইকে চন্দনাইশ পুলিশের সহায়তায় বাসা থেকে ধরে নিয়ে যান টেকনাফ থানার তৎকালীন ওসি প্রদীপ কুমার দাশ। এরপর টেকনাফ নিয়ে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে তাদের হত্যা করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
মামলার এজহারে বাদি জিনাত সুলতানা শাহীন উল্লেখ করেন, গত ১৩ ও ১৫ জুলাই ফারুক ও আজাদকে চন্দনাইশ থানার সহযোগিতায় অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ৮ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলাও করা হয়। পরে মুক্তিপণের টাকা দিতে ব্যর্থ হলে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে তাদেরকে হত্যা করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
শাহীন দাবি করেন, তার ভাই আজাদ দীর্ঘদিন বিদেশে ছিল। গত ৬ রমজান দেশে আসে। বড়ভাই ফারুক দেশে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের কাজ করতেন। পাশাপাশি তারা স্থানীয়ভাবে পেয়ারা বাগান করতেন। ফারুক ও আজাদ ইয়াবার কারবারে কখনো জড়িত ছিলনা বলে তিনি দাবি করেন।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com