চীনের সিনোভ্যাক কোম্পানির টিকার শেষ ধাপের ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের প্রস্তুতি প্রায় চূড়ান্ত। জরুরী ভিত্তিতে এই ট্রায়াল শুরু করার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। গত মাসে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এ নিয়ে সমঝোতা হয়েছে। চীন থেকে এই টিকাটি নিয়ে আসার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার গবেষণা সংস্থা এলএসকে গ্লোবাল ফার্মা সার্ভিস এই ট্রায়াল পর্যবেক্ষণ করবে। ট্রায়ালের কার্যক্রম পরিচালনা করবে আইসিডিডিআর,বি। সিনোভ্যাকের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজ্ঞানী ডা. কে জামান জানান, আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তারা দেখবে মান অনুযায়ী ট্রায়াল পরিচালিত হচ্ছে কিনা।
ঢাকার সাতটি হাসপাতালে এই ট্রায়াল শুরু হবে। চার হাজার ২০০ স্বাস্থ্যকর্মীর উপর টিকাটি প্রয়োগ করার কথা রয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের দিক থেকে বাংলাদেশ দ্বিতীয়। তিন লাখেরও বেশি মানুষ সংক্রমিত হয়েছেন। মারা গেছেন চার হাজারের উপরে। এলএসকে গ্লোবাল ফার্মা সার্ভিস জানিয়েছে যে সাতটি হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা করা হচ্ছে সেসব হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। চিকিৎসা সেবা যাতে বিঘ্নিত না হয় সেজন্য তাদের উপরেই এই ট্রায়ালটি হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যে সেকেন্ডারি সংক্রমণ কমাতে ও করোনার বিস্তার কার্যকরভাবে রুখতে এই হাসপাতালগুলোর চিকিৎসক ও নার্সদের উপর ট্রায়ালটি পরিচালিত হবে।
ওদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা ও শনাক্তের সংখ্যা দুদিনের তুলনায় কমেছে। মৃত্যুর সংখ্যা অবশ্য বেড়েছে। একই সময়ে মারা গেছেন ৩৫ জন। শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৯৫০ জন।