শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ৩০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য দুর্নীতির ১৫ মামলায় খালাস পেলেন মির্জা আব্বাস সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে ৩৩২ জন মারা গেছেন বলে জানিয়েছে নেপাল পুলিশ গুমের মামলায় জিয়াউল আহসানকে গ্রেফতার দেখিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল নেপালকে সব ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত বাংলাদেশ : পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে সম্পূর্ণ দলনিরপেক্ষভাবে কাজ করব : রাষ্ট্রপতি ৪০ ভবঘুরে ও ভিক্ষুককে আটক করেছে বিমানবন্দর থানা পুলিশ পাহাড়ধসের ঝুঁকি মোকাবিলায় বাঁশখালীতে ৪২০ পরিবার পেল নগদ সহায়তা নেছারাবাদে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে ছারছীনা দরবারের বিশাল আনন্দ মিছিল১১

বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে করোনা গবেষণা ইউনিট

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২০, ৩.৩৭ পিএম
  • ৬৪১ বার পড়া হয়েছে

ঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানেসথেশিয়া, এ্যানালজেশিয়া এন্ড ইনটেনিসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের হাইওয়েল দা ইউনিভার্সিটি হেলথ বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে কেবিন ব্লকের আইসিইউতে ৪টি বেড নিয়ে করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিষয়ে একটি গবেষণা ইউনিট চালু করা হয়েছে।

এই গবেষণার বিষয় হল নতুন ভাবে তৈরিকৃত নন ইনভেনসিভ ভেন্টিলেশন সিটেক্স ডব্লিউজি সেভেন সিপাপ ডিভাইস বা যন্ত্রটি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য কতটা কার্যকরী ও করোনায় আক্রান্ত রোগীদের থেকে কি পরিমাণ ভাইরাস বাইরে বের হয় তা নিরূপণ করা।

গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায়  বিশ্ববিদ্যালয়ের সি ব্লকের অধ্যাপক সামাদ সেমিনার হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের নিয়ে চালুকৃত গবেষণা ইউনিটের শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া।

প্রধান গবেষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ কে এম আখতারুজ্জামান। গবেষকদের মধ্যে আরো রয়েছেন-অধ্যাপক ডা. মুজিবুর রহমান, অধ্যাপক কেয়ার লিউস, ডা. রিজ থমাস, ডা. সোহেল মুসা মিঠু।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনÑ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, এ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. দেবব্রত বনিক, অধ্যাপক ডা. দেবাশিস বনিক, অধ্যাপক ডা. এ কে কামরুল হুদা প্রমুখ।

গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি অনুদান হিসেবে প্রদান করেছে যুক্তরাজ্যের ওয়েল গভার্নমেন্ট। বিভিন্নভাবে সহায়তা করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন, লন্ডন, ইউকে; বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশী বংশদ্ভূত ব্রিটিশ চিকিৎসকবৃন্দ ইত্যাদি।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়–য়া বলেছেন, বিশ্বে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর থেকেই বঙ্গবন্ধু মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ নিয়েছেন। শুধু সেমিনার, সভা, আলোচনা সভা নয়; ফিভার ক্লিনিক, করোনাভাইরাস ল্যাবরেটরি এবং গত ৪ জুলাই ৩৭০ শয্যার করোনা সেন্টার চালু করা হয়েছে।  করোনা সেন্টারেই এ পর্যন্ত ৭৫৮ জন রোগী চিকিৎসাসেবা দেয়া হয়েছে।

ফিভার ক্লিনিকে গত ২৯ জুলাই পর্যন্ত ৩০ হাজার ৬৩১ জন রোগীকে সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং বেতার ভবনে চালুকৃত করোনাভাইরাস ল্যাবরেটরিতে এ পর্যন্ত ৩৭২৪০ জন রোগীর স্যাম্পল সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়েছে। রোগীদের সুবিধার্থে বহির্বিভাগ, জরুরি বিভাগ চালু রাখার পাশাপাশি হেলথ লাইন, বিশেষজ্ঞ হেলথ লাইন চালু করা হয়েছে।

করোনাভাইরাসজনিত বিশ্ব মহামারী চলাকালীন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ^বিদ্যালয়ের বহুমুখী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে গতকাল বৃহস্পতিবার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের এ্যানেসথেশিয়া, এ্যানালজেশিয়া এন্ড ইনটেনিসিভ কেয়ার মেডিসিন বিভাগ ও যুক্তরাজ্যের ওয়েলসের হাইওয়েল দা ইউনিভার্সিটি হেলথ বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে সিটেক্স ডব্লিউজি সেভেন সিপাপ ডিভাইস করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসাসেবাকালীন সময়ে ব্যবহার করে এর উপকারিতা নিরূপণ করার জন্য ৪টি আইসিইউ বেড নিয়ে এই ইউনিটটি চালু করা হল।

এটা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী ও সেবাদানকারী চিকিৎসকসহ স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষার ক্ষেত্রে নব দিগন্তের দার উন্মোচিত হবে বলে আমার বিশ্বাস। যেকোনো ভাইরাস সংক্রমণের পর ভাইরাল লোড ও ভাইরাসটির এগ্রেসিভনেসের উপর নির্ভর করে রোগীর জীবন কতটা সঙ্কটাপন্ন। আশা করি, এসকল বিষয় নির্ণয়েও এই গবেষণা ইউনিটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রাথমিক ভাবে ৫০ জন রোগীর উপর গবেষণা কর্মটি পরিচালিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে করোনাভাইরাস জনিত বিষয়ে যে সকল গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে তা সম্পন্ন করা হবে এবং ভবিষ্যতে এ সংক্রান্ত গবেষণার বিষয়ে বিভিন্ন ধরণের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও প্রধান গবেষক এ্যানেসথেশিয়া বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ কে এম আখতারুজ্জামান বলেছেন , সিটেক্স ডব্লিউজি সেভেন সিপাপ ডিভাইস নতুন ধরণের মেশিন বা যন্ত্র যা কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত রোগীদের থেকে করোনাভাইরাস বাইরে বের হওয়া কমিয়ে দিবে। এই যন্ত্রে কয়েকটি ফিল্টার ব্যবহার করা হয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে এর কার্যকারিতার বিষয়ে যথাযথ ফলাফল জানা যাবে

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com