যুক্তরাষ্ট্র শুক্রবার ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সার্গে ল্যাভরভের সম্পদ জব্দ করবে। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও ব্রিটেন একই ধরণের পদক্ষেপের ঘোষণা দেয়।
যুদ্ধবিরোধী মনোভাব ঠেকাতে কর্তৃপক্ষের ব্যাপক দমননীতি সত্ত্বেও বিক্ষোভকারীরা শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) মস্কো, সেন্ট পিটার্সবার্গসহ গোটা রাশিয়া জুড়ে ইউক্রেনে আগ্রাসনের নিন্দা জানাতে রাস্তায় নামেন। সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ হয় সেন্ট পিটার্সবার্গে। সেখানে
ইউক্রেনকে ৬০ কোটি মার্কিন ডলার পর্যন্ত অস্ত্র সহায়তা দিতে এক আদেশে স্বাক্ষর করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। এ ছাড়াও ইউক্রেন সংকটে
ইউক্রেন আক্রমণের জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতারা, তাদের ভাষ্যমতে, “বিশাল” নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সম্মেলনটি বৃহস্পতিবার গড়িয়ে শুক্রবার প্রথম
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বৃহস্পতিবার আবার রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কাছে ইউক্রেনে তার আগ্রাসন বন্ধ করতে এবং তার সৈন্য প্রত্যাহার করার জন্য আবেদন করেছেন। তিনি বলেন, এক দেশের অন্য দেশের
রাশিয়ান সেনাদের অগ্রসর ঠেকাতে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী রাজধানী কিয়েভের অদূরে একটি সেতু ধ্বংস করে দিয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কিয়েভের ৫০ কিলোমিটার