সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

গাইবান্ধায় মাঠ পর্যায়ে নেই উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা

  • আপডেট সময় সোমবার, ২ মার্চ, ২০২০, ৮.৩৫ পিএম
  • ৭৮৬ বার পড়া হয়েছে

এইচ আর হিরু গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার জেলা সদর সহসাদুললাপুর,পলাশবাড়ী,সাঘাটা,ফুলছড়ি, সুন্দরগঞ্জ ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়মিত কর্মস্থলে না এসেই বেতন তুলে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এসব কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা কিংবা ফসলের রোগ-বালাইবা কৃষি উন্নয়নের লক্ষ্যে কোনো কাজ না করেই নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলে নিচ্ছেন।
জানা যায়, সরকার কৃষক ও কৃষির উন্নয়নে উচ্চ ফলনের লক্ষ্যে দেশের প্রত্যেক উপজেলা সহমাঠ পর্যায়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দিয়েছেন। রোগ-বালাই প্রতিরোধ সহ কৃষকদের কাঙ্ক্ষিত সেবা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলার ওয়ার্ড পর্যায়ে ব্লক সৃষ্টি করে প্রতিটি ব্লকে একজন করে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ সব কর্মকর্তা প্রতিমাসে পাচ্ছেন সরকারি তহবিল থেকে মোটা অংকের বেতন, বাসা ভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, সন্তানদের জন্য শিক্ষা ভাতা সহ নানা সুযোগ-সুবিধা। জানা যায়, একসময় কৃষির চারণভূমি হিসেবে খ্যাতি ছিল এ জেলার কৃষকরা ইরি-বোরো সহ নানা প্রজাতির ধান/ফসল উৎপাদনের মাধ্যমে এলাকার চাহিদা পূরণ করে অন্যত্র বিক্রি করত। কালের বিবর্তনে এ চিত্র এখন প্রায় হারিয়ে গেছে। বিশেষ করে মাটির উর্বরতা নষ্ট এবং নানা পোকা-মাকড়ের আক্রমণের কারণে ভালো ফলন নাহ ওয়ায় কৃষকরা সোনালি ফসলের চাষে ক্রমে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশের বৃহৎ এ জেলার কৃষিউন্নয়ন ও অধিক ফলনের লক্ষ্যে বিভিন্ন ব্লকে ২৫ জনকরে উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তা রয়েছেন। কিন্তু কৃষকদেরসমস্যা, কৃষির নানা বিষয়ে পরামর্শ গ্রহণের জন্য এসব কর্মকর্তাকে খুঁজে পান না এলাকার কৃষকরা, এমন অভিযোগ জেলার অধিকাংশ এলাকার কৃষকের। কাগজে-কলমে এসব কর্মকর্তা ব্লকেকর্মরত থেকে কর্মস্থলে না এসেই নিয়মিত বেতন-ভাতা তুলে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। জেলায় কর্মরত উপ-সহকারী কৃষিকর্মকর্তাদের বেশির ভাগ থাকেন বাড়ীতে। মাঝে মধ্যে তারা উপজেলা কৃষিকর্মকর্তার কার্যালয়ে এসে হাজিরা দিয়ে চলে যান।
এসব কর্মকর্তা একে অপরের সঙ্গে যোগসাজশ করে (সিন্ডিকেট) প্রতিদিন একজন ৩-৪ জনের ব্লক ঘুরে দেখেন। এভাবেই চলে ব্লক কর্মকর্তাদের সপ্তাহের দায়িত্ব পালন।
মনিল উদ্দিন নুরুল ইসলামসহ বেশ কয়েকজন কৃষক জানান উপসহকারী কৃষিকর্মকর্তাদের দেখা দুই চার মাসে ও মেলেনা।তারা নিয়মিত ব্লকপরিদর্শন ও কৃষকদেরপরামর্শ প্রদান করেনা।
দিঘল কান্দি গ্রামের সুলতান মাহামুদ, আন্দুয়াগ্রামের আজিজুল ইসলাম একই অভিযোগ করে বলেন বিএসরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে সরকারি কৃষি প্রনোদনা বিতরণ করে থাকেন।বছরে একবার ও দেখা মেলে না তাদের পরামর্শ তো দুরের কথা পেশাগত দায়িত্বপালনে গাফিলতি কৃষকদের সাথে যোগাযোগ না করা ও ঘরে বসে রিপোর্ট তৈরি বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা কৃষিঅফিসরা বলেন, প্রতিটি ইউনিয়নপরিষদ কমপ্লেক্সে বিএসদের বসার স্থান রয়েছে।তারা নিয়মিত সেখানে অবস্থান করার কথা! এ ছাড়া ও বিভিন্ন ব্লকে গ্রুপ ওয়ারী পরামর্শ প্রদান করা হয়।একক ভাবে কৃষকের নিকট যাওয়ার কোন সুযোগ নেই!

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com