রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে দ্বীপ জেলা ভোলা ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ বাতিল হলো বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশে আরোপ করা ট্রাম্পের ভিসানীতি সিলেটে তেলবাহী লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে ৪ জন নিহত সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য হয়েছে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন কনিকার বাড়িতে গেলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিয়ের প্রলোভনে গৃহবধূকে নদীতে নিয়ে ধর্ষণ   করলেন আপন দুই ভাই!  ইউরোপ সফর শেষে আন্তর্জাতিক মঞ্চে প্রশংসিত আরিফ হোসেন শামীম

তালতলী বন বিভাগের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ, প্রকল্পের টাকায় নয় ছয়

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৯ নভেম্বর, ২০২৩, ৪.৩৩ এএম
  • ২৪৯ বার পড়া হয়েছে

 

হায়দার হাওলাদার
তালতলী সংবাদদাতাঃ-বরগুনার তালতলীতে টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের বিভিন্ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে রেঞ্জ অফিসার মনিরুজ্জামান ও বিট কর্মকর্তার ফজলুল হকের বিরুদ্ধে। কাগজে কলমে স্থানীয় ১১টি ভিসিএফ সমিতির হাতে দায়িত্ব ও ক্ষমতা দেওয়ার থাকলেও তা বাস্তবে নেই। রেঞ্জ ও বিট কর্মকর্তার সেচ্ছাচারিতায় মুখ থুবরে পড়েছে সরকারে বিশাল এ প্রকল্প।

জানা গেছে, ২০২১-২২ অর্থ বছরে উপজেলার সংরক্ষিত বন এলাকার বড়বগী, সোনাকাটা, নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্প চালু করেন বন বিভাগ। প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষে ঘর ভাড়া নিয়ে ওই ৩ ইউনিয়নে ১১টি ভিসিএফ সমিতি করা হয়। সেখানে মাসিক ঘর ভাড়া ২৫শ’ টাকার চুক্তি হয়। তবে চুক্তিপত্র অনুযায়ী ঘর ভাড়ার টাকা দেওয়া হয়নি। ওই সমিতিতে সঞ্চয় ও ঋণ পরিচালনার জন্য মাসে ৫ হাজার টাকা সম্মানীতে একজন ক্যাশিয়ার (বুক কিপার) নিয়োগ দেওয়া হলেও সেই সম্মানীর টাকা দেওয়া হয়নি। কাগজে কলমে সংশ্লিষ্ট এলাকার বন নির্ভরশীল মানুষকে সচেতন করার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা থাকলেও নামে মাত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বনের সুরক্ষার জন্য স্থানীয়দের সম্মানী ভাতার মাধ্যমে প্রহরী (পাহারাদার) নিয়োগ করা হলেও তাদের কোনো ধরনের সম্মানী বা ভাতা দেওয়া হয় না। এছাড়াও টেকসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের ১১টির ভিসিএফ সমিতির অন্যান্য প্রকল্পগুলো সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করেননি তারা।

ভিসিএফ কমিটির সওদাগার পাড়ার সভাপতি মনোয়ার হোসেন মীর, কবিরাজপাড়ার সভাপতি মি. মংথিন জো ও নামেশেপাড়ার সভাপতি মি. মংচিন থান বলেন, রেঞ্জ ও বিট কর্মকর্তার অনিয়ম ও দুর্নীতি কারণে সরকারের এই প্রকল্পটি মুখ থুবরে পড়েছে। প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী আমাদের হাতে ক্ষমতা দেওয়া থাকলেও তারা কোনো ক্ষমতাই দেয়নি। সমিতির টাকা ব্যাংক থেকে উঠানোর জন্য চেকে স্বাক্ষর নিয়ে যায়। সেই টাকা কী করে, কোথায় খরচ করে তাও আমাদের জানায় না। এর প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের সবাইকে হুমকি দেয়।

কবিরাজপাড়া সমিতির ক্যাশিয়ার (বুক কিপার) রিপা বলেন, আমি বুক কিপার হিসেবে দুই বছর যাবৎ কাজ করে আসছি। গত তিন মাস আগে আমারদের জন্য মাসে ৫ হাজার টাকা করে সম্মানী দেওয়ার বরাদ্দ হয়। তবে আমাদের তিন মাসের ১৫ হাজার টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৫ হাজার টাকা দিয়ে তিন মাসের কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে যায়। তখন বলেন, বাকি দুই মাসের টাকা বিভিন্ন অফিস খরচ বলে আমাদের পাঠিয়ে দেয়। ১১টি সমিতির ১১ জন বুক কিপারের টাকাই রেখে দিয়েছেন রেঞ্জ ও বিট কর্মকর্তা। এমন অভিযোগ এই ১১টি সমিতির সকল বুক কিপারের।

এ বিষয়ে তালতলী রেঞ্জ কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম বলেন, আমি কিছু জানি না। ওই সমিতির লোকজনের নামে ব্যাংকে টাকা আসে, তারাই ভালো জানে। আমরা শুধু এই প্রকল্পের তদারকি করি।

পটুয়াখালী বিভাগীয় বন কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে যদি কেউ অভিযোগ করেন তাহলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com