মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
যাত্রীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। –বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী জেএসএস চট্টগ্রাম মহানগরের অভিষেক প্রস্তুতি, কমিটি গঠন ও আলতাফ হোসেনের জন্মদিনে দোয়া কিশোরগ্যাং অভিযান লক্ষ্মীপুরে তিন দফায় আটক ৫৪৯, আদালতে ৮৯ ‘যাযাবর’ সিনেমার শুটিংয়ে আহত অভিনেতা ওমর মালিক ‘মোমেন্টস উইথ লেজেন্ডস’ আয়োজনে গাইবেন বন্যা, নাচবেন  শিবলী ও নীপা ঝালকাঠিতে তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগের মামলায় পালিত বাবাসহ দুজন গ্রেপ্তার, ভিডিও ধারন ও ছড়িয়ে দেয়ার ব্লাক মেইল! কাউখালীর জেসমিন ধর্ষণ ও হত্যার মূল আসামী  তাঁতীদল নেতা মানিক গ্রেফতার সেন্ট যোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ৩ দিনব্যাপী ‘যোসেফাইট টেক কার্নিভাল’ সম্পন্ন কাউখালীতে গৃহবধূকে হত্যা ও মালামাল লুট, ঘরে মিলল বিবস্ত্র লাশ কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ছাড়িয়েছে

  • আপডেট সময় শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩, ১১.৫৮ পিএম
  • ২০৮ বার পড়া হয়েছে

তুরস্ক-সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা আরও বেড়েছে। শুক্রবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যার পর দেখা গেছে, দেশ দুইটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২২ হাজার ছাড়িয়েছে।

দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ফুয়াত ওকতায়ের বরাত দিয়ে বিবিসি জানিয়েছে, তুরস্কে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৯৯১ জনে।  আর সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা কমপক্ষে তিন হাজার ৩৮৪ জন।

এদিকে ঘটনার চারদিন পরও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া লোকজনকে উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে উদ্ধারকারীরা।

আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাগুলোর খবরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হচ্ছে, মৃতের সংখ্যা অনেক বেড়ে যেতে পারে। এমনকি এটা ৩০ হাজারো ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশঙ্কা করছে, তুরস্ক এবং সিরিয়াজুড়ে আড়াই কোটিরও বেশি মানুষ এই ভূমিকম্পের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।

দক্ষিণ তুরস্ক এবং উত্তর সিরিয়ায় বিধ্বংসী দুই ভূমিকম্পে এতো বেশি মানুষের মৃত্যুর পর সেখানে আন্তর্জাতিক সাহায্য প্রচেষ্টা জোরদার করা হচ্ছে।

উপদ্রুত এলাকাগুলোর যে দিকে চোখ যায়, শুধুই ধ্বংসের ছবি। উপচে পড়ছে মৃতদেহ। ভূকম্পে তুরস্ক এবং সিরিয়ার ছবিটা ঠিক এরকমই। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হওয়া দুই দেশে ভূমিকম্পের পর থেকেই শুরু হয়েছে হাহাকার। প্রাণ বাঁচানোর তাগিদ এবং প্রিয়জনদের খোঁজার আর্তি।

৬ ফেব্রুয়ারি স্থানীয় সময় ভোররাতে সাত দশমিক আট মাত্রার ভূমিকম্পটিতে তুরস্ক ও প্রতিবেশী সিরিয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতে বহু অ্যাপার্টমেন্ট ব্লক ধসে পড়ে, হাসপাতাল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং হাজার হাজার মানুষ আহত ও গৃহহীন হয়ে পড়ে। মঙ্গলবারও ভূমিকম্প হয়েছে সেখানে।

ভূমিকম্প বিধ্বস্ত দুই দেশের হাসপাতালগুলোতে চলছে আহতদের আহাজারি। একদিন আগেও যেগুলো বহুতল ছিলো, সোমবারের ভূমিকম্পের পর তা কংক্রিটের ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তীব্র ঠাণ্ডার মধ্যে বহু মানুষকে খোলা আকাশের নিচে রাত কাটাতে হচ্ছে।

একটি বিস্তীর্ণ সীমান্ত অঞ্চলের শহরগুলোতে কয়েক হাজার ভবন ধ্বসে সমতলে মিশে গেছে। ইতিমধ্যে যুদ্ধ, বিদ্রোহ, উদ্বাস্তু সঙ্কট এবং সম্প্রতি প্রাদুর্ভাবে জর্জরিত এই অঞ্চলে আরো চরম দুর্দশা নেমে এসেছে। দেখা দিয়েছে মানবিক বিপর্যয়।

হিমশীতল আবহাওয়া ও ভূমিকম্প পরবর্তী পরাঘাতের মধ্যেই তুরস্ক এবং সিরিয়ার উদ্ধারকারীরা মঙ্গলবার ধ্বসে পড়া ভবনে চাপা পড়া জীবিত লোকদের উদ্ধারে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সীমিত রসদের কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিলো তুরস্কের কাহরামানমারাস এবং গাজিয়েনটেপের মধ্যবর্তী এলাকা। সেখানেই ঘটেছে সবচেয়ে প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ। দুই মিলিয়ন লোকের একটি গোটা শহরেরই ধ্বংসস্তূপে এখন শুভ্র তুষারে ঢেকে আছে। তারপরও চলছে জীবনের অনুসন্ধান।

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com