সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম
সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে পদত্যাগ করেছেন বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী- প্রতিমন্ত্রী বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফ বেঁচে গেলেন, পয়েন্ট ব্লাঙ্ক রেঞ্জে বন্দুক জ্যাম! গত ২৪ ঘণ্টায় মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগে ৪ জনের মৃত্যু মন্ত্রিসভা থেকে ইশরাকের আনুষ্ঠানিক পদত্যাগ ডিএমপির অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৪৮৪, মামলা ৫৩ ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে গত ২৪ ঘন্টায় ডিএমপির ২০১৭ মামলা ৭ জানুয়ারি, বৃহস্পতিবার অমর একুশে বইমেলা-২০২৭ শুরু হবে নিজের সন্তানের জন্য একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ, একটি স্বাস্থ্যকর শহর গড়ে তুলি :প্রধানমন্ত্রী ‘মহাঅষ্টমী’ সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হচ্ছে স্বৈরাচারের ফেরার পথ খুলে দেয়া হবে জুলাই ও মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের সঙ্গে গাদ্দারি : প্রধানমন্ত্রী

উত্তরায় গার্ডার দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন, চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান দায়ী

  • আপডেট সময় সোমবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ২.০৮ এএম
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

গত মাসে রাজধানী ঢাকার উত্তরায় বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গার্ডার প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যুর জন্য চীনা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দায়ী করা হয়েছে। এই ভয়াবহ দুর্ঘটনার তদন্তের জন্য গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে প্রতিষ্ঠানটিকে দায়ী করা হয় । গত ১৫ আগস্ট বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে উত্তরায় প্যারাডাইস টাওয়ারের সামনে বিআরটি প্রকল্পের একটি গার্ডার ক্রেন থেকে প্রাইভেটকারের ওপর পড়ে গেলে, দুই শিশুসহ একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হন। ঘটনার পরদিন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ছয় সদস্যের এই তদন্ত কমিটি গঠন করে।

রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিন উল্লাহ নূরী এ তথ্য জানান।

তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার জন্য ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান চায়না গে-ঝুবা গ্রুপ করপোরেশন-সিজিজিসিকে দায়ী করেছে বলে তিনি জানান।

তদন্ত কমিটি দুর্ঘটনার পেছনে বারটি পরিস্থিতিগত কারণ নির্দেশ করেছে। এগুলো হলো; সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো দিনের বেলা গার্ডার স্থানান্তর করছিল, যা দুর্ঘটনার প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কোনো পূর্বানুমতি না নিয়েই সরকারি ছুটি উপেক্ষা করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

ক্রেনটি একজন সহকারী অপারেটর বা ক্রেনের প্রধান অপারেটরের সাহায্যকারী দ্বারা চালিত হয়েছিল। অপারেটরের কোন লাইসেন্স ছিল না। ভাঙা রাস্তায় ক্রেনটিকে চালাতে দেখা গেছে।ক্রেনে কোন ডিজিটাল মনিটর ছিল না। শ্রমিকরা কাজের জন্য কোনো পূর্বানুমোদন নেয়নি। কোন নির্দিষ্ট ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছিল না। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা কর্মীদের অযোগ্যতা। নিরাপত্তা প্রকৌশলীর অভাব। কোন জরুরি পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা ছিল না। ঐ দিন যাদের কাজ করতে দেখা গেছে, তাদের জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অনুমোদন দেয়নি।

দুর্ঘটনার কয়েকদিন পর  চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বলেছেন যে,সরকারি তদন্তে ট্র্যাজেডির জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হলে, তাদের পক্ষ থেকে কোনো আপত্তি থাকবে না।

তদন্ত কমিটি চুক্তি অনুযায়ী নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পর, প্রকল্পের কাজ চালিয়ে যাওয়াসহ কিছু সুপারিশও প্রদান করেছে।সপারিশগুলো হলো; নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যার জন্য পূর্বানুমতি নিতে হবে; প্রকৌশলী, পরামর্শক, পুলিশ, সিটি করপোরেশন এবং সড়ক সংক্রান্ত কাজের জন্য সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে; গার্ডারের মতো ভারী জিনিস স্থানান্তর করা উচিত সঠিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করার পর রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত; জরুরি ঘটনায় ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রকল্প এলাকায় স্ট্যান্ডবাই ক্ষমতার ক্রেন বা রেকার, অ্যাম্বুলেন্স, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি ডাক্তার রাখতে হবে। কমিটি পূর্ব সম্মতি অনুযায়ী দুর্ঘটনায় আহতদের খরচ বহন করার পরামর্শ দিয়েছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2022 songbadsarakkhon.com
Theme Developed BY ThemesBazar.Com