রাজধানীর পশুর হাটে ছোট-বড় নানা ধরনের নানা জাতের গরু উঠেছে। ক্রেতারা আসছেন, দেখছেন, কথা বলছেন, দামাদামি করে গরু কিনেও ফিরছেন। তবে বেশির ভাগ ক্রেতার চাহিদা মাঝারি ধরনের গরু।
ঈদের মাত্র একদিন বাকি থাকায় আজ সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্রেতা কোরবানির পশু কিনে বাড়ি ফিরবেন।
পশুর হাটে আসা অধিকাংশ ক্রেতাদের পছন্দ স্থানীয়ভাবে খামারে লালন-পালন করা দেশি গরু। অন্যদিকে এবার অনেক মানুষ অনলাইনে কোরবানির পশু ঘরে বসেই কিনতে পারছেন। দরদামে বনিবনা হয়ে গেলেই মোবাইল অথবা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পছন্দসই পশু কিনে ফেলছেন।
রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের মাত্র একদিন আগে গরু-ছাগল কেনাবেচা জমে উঠেছে। মাঝারি আকৃতির গরুর চাহিদা একটু বেশি। তবে হাটে বড় গরুর সংখ্যাও একেবারে কম নয়। দাম একটু বেশি।
হাটে আসা পাইকারদের অনেকেই বলেছেন, এবছর পশুর হাটে ভারতীয় গরু নেই। আজ দুপুরের পর আবহাওয়া ভালো থাকায় হাটে কেনাবেচা ভালো হচ্ছে বলে গরু ব্যবসায়ী এবং হাটের ইজারাদাররা জানিয়েছেন।
গত বছর ছোট গরু ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা, মাঝারি আকৃতির গরু ৭৫ থেকে ১ লাখ টাকা এবং বড় আকৃতির গরু দেড় লাখ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৩ লাখ টাকার মধ্যেই বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এবছর গরুর দাম একটু বেশি। এ বছর ছোট গরু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার, মাঝারী গরু ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৩০। আর বড় জাতের গরু ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকায়।