ডম-ইনো’র নির্মাণাধীন ভবনসহ ৫ ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় পৌনে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) দুটি ভ্রাম্যমাণ আদালত।
আজ করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ ও তানজিলা কবির ত্রপার নেতৃত্বে নগরীর কদমতলা, বাসাবো স্কুল, হিরাঝিল গলি, ওয়াসা রোড, নয়া পল্টন ও শান্তি নগর এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।
করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে নগরীর কদমতলা, বাসাবো স্কুল, হিরাঝিল গলি, ওয়াসা রোডে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।
অভিযানকালে আদালত ৩০টি বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে। এ সময় তিনটি ভবনে মশার লার্ভা পাওয়ায় প্রতিটি ভবন মালিককে ১ লাখ টাকা করে ৩ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়াও জরিমানাকৃত একটি ভবনের অভ্যন্তরে প্রচুর পানি ও ময়লা-আবর্জনা থাকায় আরেকটি মামলায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপার নেতৃত্বে আজ নয়া পল্টন ও শান্তিনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে আদালত ভবন নির্মানকারী প্রতিষ্ঠান ‘ডম-ইনো’ নির্মিত একটি নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ১টি মামলায় ১ লক্ষ টাকা এবং পার্শ্ববর্তী আরেকটি ভবনেও এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ১টি মামলায় ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ বলেন, “জরিমানাকৃত তিনটি ভবনের মধ্যে একটি ভবন জলাধারের উপর গড়ে তোলা হয়েছে।
অভিযানকালে সেই বাড়িতে মশার লার্ভা পাওয়ায় এক লক্ষ টাকা এবং ওই জলাধারে প্রচুর পানি ও ময়লা-আবর্জনা থাকায় আরও ২৫ হাজার টাকাসহ সর্বমোট ৪ মামলায় ৩ লাখ ২৫ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে।
অভিযান প্রসঙ্গে দক্ষিণ সিটির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তানজিলা কবির ত্রপা বলেন, “আজকের অভিযানে শান্তিনগর এলাকার ২০ নং হোল্ডিংয়ের ভবন নির্মান কারী প্রতিষ্ঠানের নির্মাণাধীন ভবনে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ১ লক্ষ টাকা এবং পার্শ্ববর্তী আরেকটি ভবনে ৫০ হাজার টাকা অর্থদন্ড আরোপ করা হয়েছে।
ডম-ইনো’র নির্মাণাধীন সেই ভবনে এ বছরের এপ্রিল মাসেও অভিযান পরিচালনা করে মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছিল। সেই একই নির্মাণাধীন ভবনে মশার লার্ভা পাওয়া যাওয়ায় করপোরেশনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এ এইচ ইরফান উদ্দিন আহমেদ ২০১৯ সালেও ১ লাখ টাকা অর্থদন্ড আরোপ করেছিল। কিন্তু অধ্যবধি ভবন ব্যবস্থাপনায় এডিস মশার প্রজননস্থল হিসেবেই রয়ে গিয়েছে।
আজ ৬ মামলায় মোট ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।